কলম্বিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় নারিঞ্জো বিভাগে একটি অবৈধ কোকেন ল্যাবরেটরিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় এই দুর্গম এলাকায় শুক্রবারের (২৩ জানুয়ারি) ওই দুর্ঘটনায় আরও আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
দুর্ঘটনার কারণ: গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ পুলিশ কর্নেল জন জাইরো উরিয়া স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে মাদক তৈরির প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। অসতর্কতার কারণে সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হলে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পুরো ল্যাবরেটরিতে আগুন ধরে যায়। ‘হিউম্যান এরর’ বা মানুষের ভুলকেই এই প্রাণহানির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
নিহতদের পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিহতরা সবাই সাবেক গেরিলা গোষ্ঠী ফার্ক (FARC)-এর একটি বিচ্যুত উপদল ‘ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর বলিভারিয়ান আর্মি’র সদস্য ছিলেন। গোষ্ঠীটি এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। উল্লেখ্য, এই দলটি ২০১৬ সালে ফার্কের ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং বর্তমানে প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর বামপন্থী সরকারের সঙ্গে তাদের শান্তি আলোচনা চলছে।
অঞ্চলটির কৌশলগত গুরুত্ব ও আদিবাসী সংকট বিস্ফোরণস্থল নারিঞ্জো বিভাগটি ঐতিহাসিকভাবেই কোকেন উৎপাদনের জন্য পরিচিত এবং এখানে আদিবাসী ‘আওয়া’ সম্প্রদায়ের বসবাস। অঞ্চলটি কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন পাচারের প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো মেক্সিকান ড্রাগ কার্টেলগুলোর সহায়তায় এই এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে।
চিকিৎসাধীন আটজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সেনাবাহিনী ওই এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা ও তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
কলম্বিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় নারিঞ্জো বিভাগে একটি অবৈধ কোকেন ল্যাবরেটরিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় এই দুর্গম এলাকায় শুক্রবারের (২৩ জানুয়ারি) ওই দুর্ঘটনায় আরও আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
দুর্ঘটনার কারণ: গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ পুলিশ কর্নেল জন জাইরো উরিয়া স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে মাদক তৈরির প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। অসতর্কতার কারণে সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হলে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পুরো ল্যাবরেটরিতে আগুন ধরে যায়। ‘হিউম্যান এরর’ বা মানুষের ভুলকেই এই প্রাণহানির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
নিহতদের পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিহতরা সবাই সাবেক গেরিলা গোষ্ঠী ফার্ক (FARC)-এর একটি বিচ্যুত উপদল ‘ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর বলিভারিয়ান আর্মি’র সদস্য ছিলেন। গোষ্ঠীটি এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। উল্লেখ্য, এই দলটি ২০১৬ সালে ফার্কের ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং বর্তমানে প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর বামপন্থী সরকারের সঙ্গে তাদের শান্তি আলোচনা চলছে।
অঞ্চলটির কৌশলগত গুরুত্ব ও আদিবাসী সংকট বিস্ফোরণস্থল নারিঞ্জো বিভাগটি ঐতিহাসিকভাবেই কোকেন উৎপাদনের জন্য পরিচিত এবং এখানে আদিবাসী ‘আওয়া’ সম্প্রদায়ের বসবাস। অঞ্চলটি কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন পাচারের প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো মেক্সিকান ড্রাগ কার্টেলগুলোর সহায়তায় এই এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে।
চিকিৎসাধীন আটজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সেনাবাহিনী ওই এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা ও তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন