ভারতের রাজস্থানে কারাগারের ভেতরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই খুনি। পরিণতিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তাদের ১৫ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বার্তাসংস্থা পিটিআই শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজস্থানের সানগানারের ওপেন জেলে দণ্ড ভোগের সময় ৩১ বছর বয়সী প্রিয়া শেঠ ও ২৯ বছর বয়সী হনুমান প্রসাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। গত এক বছর ধরে তাদের সম্পর্ক চলছিল। পরে তারা বিয়ের আগ্রহ প্রকাশ করলে রাজস্থান হাইকোর্ট তাদের প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেন। গত বুধবার তারা কারাগার থেকে বের হন। প্রিয়ার নিজ শহর বারোদামোতে তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রিয়া শেঠ ২০২৩ সালে জয়পুরে এক ব্যবসায়ীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ডেকে এনে মুক্তিপণ দাবি করেন। পরে ওই ব্যবসায়ীকে হত্যা করে তার মরদেহ স্যুটকেসে ভরে রাখেন। এ ঘটনায় আরও দুজন জড়িত ছিলেন। ব্যাপক আলোচিত ওই হত্যাকাণ্ডে সবাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে হনুমান প্রসাদ ২০১৭ সালে পাঁচ খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হন। প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তিনি ওই নারীর স্বামী, তার তিন সন্তান ও এক ভাতিজাকে হত্যা করেন। ভয়াবহ এই ঘটনায় তাকেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পিটিআই জানায়, রাজস্থানের ওপেন জেল ব্যবস্থায় বন্দিদের দিনে কাজের জন্য বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকে এবং সন্ধ্যায় তারা জেলে ফিরে আসেন। এই ব্যবস্থার মধ্যেই প্রিয়া ও হনুমানের পরিচয় ও সম্পর্কের সূত্রপাত হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
ভারতের রাজস্থানে কারাগারের ভেতরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই খুনি। পরিণতিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তাদের ১৫ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বার্তাসংস্থা পিটিআই শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজস্থানের সানগানারের ওপেন জেলে দণ্ড ভোগের সময় ৩১ বছর বয়সী প্রিয়া শেঠ ও ২৯ বছর বয়সী হনুমান প্রসাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। গত এক বছর ধরে তাদের সম্পর্ক চলছিল। পরে তারা বিয়ের আগ্রহ প্রকাশ করলে রাজস্থান হাইকোর্ট তাদের প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেন। গত বুধবার তারা কারাগার থেকে বের হন। প্রিয়ার নিজ শহর বারোদামোতে তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রিয়া শেঠ ২০২৩ সালে জয়পুরে এক ব্যবসায়ীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ডেকে এনে মুক্তিপণ দাবি করেন। পরে ওই ব্যবসায়ীকে হত্যা করে তার মরদেহ স্যুটকেসে ভরে রাখেন। এ ঘটনায় আরও দুজন জড়িত ছিলেন। ব্যাপক আলোচিত ওই হত্যাকাণ্ডে সবাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে হনুমান প্রসাদ ২০১৭ সালে পাঁচ খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হন। প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তিনি ওই নারীর স্বামী, তার তিন সন্তান ও এক ভাতিজাকে হত্যা করেন। ভয়াবহ এই ঘটনায় তাকেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পিটিআই জানায়, রাজস্থানের ওপেন জেল ব্যবস্থায় বন্দিদের দিনে কাজের জন্য বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকে এবং সন্ধ্যায় তারা জেলে ফিরে আসেন। এই ব্যবস্থার মধ্যেই প্রিয়া ও হনুমানের পরিচয় ও সম্পর্কের সূত্রপাত হয়।

আপনার মতামত লিখুন