ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে বিমান বিধ্বস্তের সাত দিন পর নিখোঁজ ১০ আরোহীর সবার মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে মাউন্ট বুলুসারাউং এলাকা থেকে সর্বশেষ এবং দশম মরদেহটি উদ্ধারের মধ্য দিয়ে তল্লাশি অভিযানের সমাপ্তি ঘটে। দেশটির জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার (বাসারনাস) মাকাসার কার্যালয়ের কর্মকর্তা আন্ডি সুলতান ডেটিক নিউজকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহতদের পরিচয় ও বিমানের মিশন রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আন্তারা জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত ১০ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র দুজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তারা হলেন—বিমানের কেবিন ক্রু সদস্য ফ্লোরেন্সিয়া লোলিতা এবং দেশটির সামুদ্রিক বিষয়ক ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা দেদেন মৌলানা। বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটি মূলত সামুদ্রিক বিষয়ক ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ নজরদারি মিশনে নিয়োজিত ছিল। আরোহীদের মধ্যে সাতজন ক্রু সদস্য এবং তিনজন যাত্রী ছিলেন।
দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপট ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্ট পরিচালিত ‘এটিআর ৪২-৫০০’ মডেলের বিমানটি গত শনিবার জাকার্তা থেকে দক্ষিণ সুলাওয়েসির রাজধানী মাকাসারের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। যাত্রাপথে মারোস জেলায় পৌঁছালে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘ তল্লাশির পর গত রবিবার পাহাড়ি এলাকায় বিমানের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পায় উদ্ধারকারীরা।
তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ যৌথ অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল দুর্ঘটনাস্থল থেকে ইতিমধ্যে বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করেছে। এটি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো শনাক্তকরণের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া ও দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উদ্ধার অভিযানে সাত দিন সময় লেগেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে বিমান বিধ্বস্তের সাত দিন পর নিখোঁজ ১০ আরোহীর সবার মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে মাউন্ট বুলুসারাউং এলাকা থেকে সর্বশেষ এবং দশম মরদেহটি উদ্ধারের মধ্য দিয়ে তল্লাশি অভিযানের সমাপ্তি ঘটে। দেশটির জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার (বাসারনাস) মাকাসার কার্যালয়ের কর্মকর্তা আন্ডি সুলতান ডেটিক নিউজকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহতদের পরিচয় ও বিমানের মিশন রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আন্তারা জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত ১০ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র দুজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তারা হলেন—বিমানের কেবিন ক্রু সদস্য ফ্লোরেন্সিয়া লোলিতা এবং দেশটির সামুদ্রিক বিষয়ক ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা দেদেন মৌলানা। বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটি মূলত সামুদ্রিক বিষয়ক ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ নজরদারি মিশনে নিয়োজিত ছিল। আরোহীদের মধ্যে সাতজন ক্রু সদস্য এবং তিনজন যাত্রী ছিলেন।
দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপট ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্ট পরিচালিত ‘এটিআর ৪২-৫০০’ মডেলের বিমানটি গত শনিবার জাকার্তা থেকে দক্ষিণ সুলাওয়েসির রাজধানী মাকাসারের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। যাত্রাপথে মারোস জেলায় পৌঁছালে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘ তল্লাশির পর গত রবিবার পাহাড়ি এলাকায় বিমানের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পায় উদ্ধারকারীরা।
তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ যৌথ অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল দুর্ঘটনাস্থল থেকে ইতিমধ্যে বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করেছে। এটি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্ধারকৃত মরদেহগুলো শনাক্তকরণের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া ও দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উদ্ধার অভিযানে সাত দিন সময় লেগেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন