ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘চা-বিক্রেতা’ পরিচয়কে স্রেফ রাজনৈতিক নাটক হিসেবে অভিহিত করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে দাবি করেছেন, মোদি কখনোই বাস্তবে চা বিক্রি করেননি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ইউপিএ আমলের ‘মনরেগা’ আইন পরিবর্তন করে নতুন ‘জি রাম জি আইন’ চালুর প্রতিবাদে আয়োজিত এক জনসভায় কংগ্রেস সভাপতি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। খাড়গে বলেন, “ভোটের রাজনীতিতে সুবিধা নিতেই তিনি নিজেকে চা-বিক্রেতা হিসেবে তুলে ধরেন। আসলে তিনি কি কখনো কেটলি হাতে মানুষের কাছে গিয়েছেন? এসবই সাধারণ মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার কৌশল। তার প্রধান কাজই হলো দরিদ্র মানুষকে দমন করা।”
বক্তব্যের একপর্যায়ে খাড়গে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। জওহরলাল নেহরুর সময়ের বড় বড় প্রকল্পের উদাহরণ টেনে তিনি জানতে চান, বর্তমান সরকার কি উল্লেখযোগ্য এমন একটি কাজও দেখাতে পারবে যা জনহিতকর?
কংগ্রেস সভাপতির এই আক্রমণের জবাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। দলটির নেতা টম ভাদাক্কান পাল্টা আক্রমণ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটি অতি সাধারণ পরিবার থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আজকের অবস্থানে এসেছেন, যা অনস্বীকার্য। তিনি আরও বলেন, “কংগ্রেসের নেতারা রুপার চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছেন, তাই সাধারণ মানুষের সংগ্রাম তারা বুঝবেন না। তারা বরাবরই সত্যকে আড়াল করতে চান।”
উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্য জনসভায় বলেছেন যে, শৈশবে গুজরাটের ভাদনগর স্টেশনে বাবার চায়ের দোকানে তিনি সাহায্য করতেন। তার এই অতীত জীবন নিয়ে এর আগেও ভারতের রাজনীতিতে বহুবার বিতর্ক হয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে প্রবীণ কংগ্রেস নেতা মণীশঙ্কর আইয়ারের করা অনুরূপ এক মন্তব্যকে মোদি রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত করেছিলেন, যা তাকে ক্ষমতায় আসতে সহায়তা করেছিল।
সম্প্রতি সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর মাধ্যমে তৈরি একটি ভিডিওতে মোদিকে চা-বিক্রেতা হিসেবে প্রদর্শন করে কংগ্রেস নেত্রী রাগিণী নায়ক নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করেন। বিজেপির দাবি, গত কয়েক বছরে মোদিকে অন্তত ১৫০ বার ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছে কংগ্রেস। খাড়গের সর্বশেষ এই মন্তব্য আসন্ন রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘চা-বিক্রেতা’ পরিচয়কে স্রেফ রাজনৈতিক নাটক হিসেবে অভিহিত করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে দাবি করেছেন, মোদি কখনোই বাস্তবে চা বিক্রি করেননি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ইউপিএ আমলের ‘মনরেগা’ আইন পরিবর্তন করে নতুন ‘জি রাম জি আইন’ চালুর প্রতিবাদে আয়োজিত এক জনসভায় কংগ্রেস সভাপতি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। খাড়গে বলেন, “ভোটের রাজনীতিতে সুবিধা নিতেই তিনি নিজেকে চা-বিক্রেতা হিসেবে তুলে ধরেন। আসলে তিনি কি কখনো কেটলি হাতে মানুষের কাছে গিয়েছেন? এসবই সাধারণ মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার কৌশল। তার প্রধান কাজই হলো দরিদ্র মানুষকে দমন করা।”
বক্তব্যের একপর্যায়ে খাড়গে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। জওহরলাল নেহরুর সময়ের বড় বড় প্রকল্পের উদাহরণ টেনে তিনি জানতে চান, বর্তমান সরকার কি উল্লেখযোগ্য এমন একটি কাজও দেখাতে পারবে যা জনহিতকর?
কংগ্রেস সভাপতির এই আক্রমণের জবাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। দলটির নেতা টম ভাদাক্কান পাল্টা আক্রমণ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী একটি অতি সাধারণ পরিবার থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আজকের অবস্থানে এসেছেন, যা অনস্বীকার্য। তিনি আরও বলেন, “কংগ্রেসের নেতারা রুপার চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছেন, তাই সাধারণ মানুষের সংগ্রাম তারা বুঝবেন না। তারা বরাবরই সত্যকে আড়াল করতে চান।”
উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্য জনসভায় বলেছেন যে, শৈশবে গুজরাটের ভাদনগর স্টেশনে বাবার চায়ের দোকানে তিনি সাহায্য করতেন। তার এই অতীত জীবন নিয়ে এর আগেও ভারতের রাজনীতিতে বহুবার বিতর্ক হয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে প্রবীণ কংগ্রেস নেতা মণীশঙ্কর আইয়ারের করা অনুরূপ এক মন্তব্যকে মোদি রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত করেছিলেন, যা তাকে ক্ষমতায় আসতে সহায়তা করেছিল।
সম্প্রতি সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর মাধ্যমে তৈরি একটি ভিডিওতে মোদিকে চা-বিক্রেতা হিসেবে প্রদর্শন করে কংগ্রেস নেত্রী রাগিণী নায়ক নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করেন। বিজেপির দাবি, গত কয়েক বছরে মোদিকে অন্তত ১৫০ বার ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছে কংগ্রেস। খাড়গের সর্বশেষ এই মন্তব্য আসন্ন রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন