গাজা ইস্যুকে ঘিরে প্রস্তাবিত ‘Board of Peace’ উদ্যোগে ফ্রান্সকে যুক্ত করতে চাপ বাড়ালেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফ্রান্স যদি এই উদ্যোগে যোগ না দেয়, তাহলে ফরাসি ওয়াইন ও শ্যাম্পেন-এর ওপর সর্বোচ্চ ২০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
ট্রাম্পের দাবি, এই বোর্ড গাজা যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি, পুনর্গঠন ও শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে ফ্রান্স এখনো এতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানায়নি। প্যারিসের পক্ষ থেকে এই শুল্ক হুমকিকে রাজনৈতিক চাপ ও ‘ব্ল্যাকমেইল’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ফ্রান্সের কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে বলেছেন, শুল্কের হুমকির মুখে তারা নিজেদের কূটনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করবে না। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং প্রয়োজনে পাল্টা বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই হুমকি বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
গাজা ইস্যুকে ঘিরে প্রস্তাবিত ‘Board of Peace’ উদ্যোগে ফ্রান্সকে যুক্ত করতে চাপ বাড়ালেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফ্রান্স যদি এই উদ্যোগে যোগ না দেয়, তাহলে ফরাসি ওয়াইন ও শ্যাম্পেন-এর ওপর সর্বোচ্চ ২০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
ট্রাম্পের দাবি, এই বোর্ড গাজা যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি, পুনর্গঠন ও শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে ফ্রান্স এখনো এতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানায়নি। প্যারিসের পক্ষ থেকে এই শুল্ক হুমকিকে রাজনৈতিক চাপ ও ‘ব্ল্যাকমেইল’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ফ্রান্সের কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে বলেছেন, শুল্কের হুমকির মুখে তারা নিজেদের কূটনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করবে না। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং প্রয়োজনে পাল্টা বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই হুমকি বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন