মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরোধিতায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও শ্রমিক বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসব বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বর্ষপূর্তির দিনে তার কঠোর অভিবাসন দমননীতির বিরুদ্ধে দেশজুড়ে এই প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল এজেন্টদের হাতে এক মার্কিন নাগরিক নারীকে গাড়ি থেকে টেনে নামানোর ঘটনা এবং ৩৭ বছর বয়সী রেনে গুডকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওয়াশিংটনের পাশাপাশি নর্থ ক্যারোলিনার অ্যাশভিলের মতো ছোট শহরেও শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করেন এবং ‘নো আইসিই, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’ স্লোগান দেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসরত লাখ লাখ অভিবাসীকে বহিষ্কারের বিষয়ে তারা ভোটারদের কাছ থেকে ম্যান্ডেট পেয়েছেন। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) ও অন্যান্য ফেডারেল সংস্থার কর্মকর্তাদের শক্তি প্রয়োগের বিরোধিতা করছেন অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক।
ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘নো হেইট, নো ফিয়ার, রিফিউজিস আর ওয়েলকাম হিয়ার’ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একই সময়ে নিউ মেক্সিকোর সান্তা ফেতে হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে রাজ্য ক্যাপিটলে আয়োজিত ‘স্টপ আইসিই টেরর’ সমাবেশে যোগ দেন।
ইন্ডিভিজিবল ও ৫০৫০১-এর মতো বামপন্থী সংগঠনের পাশাপাশি শ্রমিক ইউনিয়ন ও বিভিন্ন তৃণমূল সংগঠন এসব কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এসব সংগঠন অভিবাসী আটক কেন্দ্র ও কঠোর অভিবাসন নীতির বিরোধিতা করছে।
এদিকে টেক্সাসের এল পাসোর একটি কেন্দ্রে গত ছয় সপ্তাহে আটক তিন অভিবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে। অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলের সান ফ্রান্সিসকো ও সিয়াটলের মতো শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরোধিতায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও শ্রমিক বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসব বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বর্ষপূর্তির দিনে তার কঠোর অভিবাসন দমননীতির বিরুদ্ধে দেশজুড়ে এই প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল এজেন্টদের হাতে এক মার্কিন নাগরিক নারীকে গাড়ি থেকে টেনে নামানোর ঘটনা এবং ৩৭ বছর বয়সী রেনে গুডকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওয়াশিংটনের পাশাপাশি নর্থ ক্যারোলিনার অ্যাশভিলের মতো ছোট শহরেও শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করেন এবং ‘নো আইসিই, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’ স্লোগান দেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসরত লাখ লাখ অভিবাসীকে বহিষ্কারের বিষয়ে তারা ভোটারদের কাছ থেকে ম্যান্ডেট পেয়েছেন। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) ও অন্যান্য ফেডারেল সংস্থার কর্মকর্তাদের শক্তি প্রয়োগের বিরোধিতা করছেন অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক।
ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ক্লিভল্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘নো হেইট, নো ফিয়ার, রিফিউজিস আর ওয়েলকাম হিয়ার’ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একই সময়ে নিউ মেক্সিকোর সান্তা ফেতে হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে রাজ্য ক্যাপিটলে আয়োজিত ‘স্টপ আইসিই টেরর’ সমাবেশে যোগ দেন।
ইন্ডিভিজিবল ও ৫০৫০১-এর মতো বামপন্থী সংগঠনের পাশাপাশি শ্রমিক ইউনিয়ন ও বিভিন্ন তৃণমূল সংগঠন এসব কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এসব সংগঠন অভিবাসী আটক কেন্দ্র ও কঠোর অভিবাসন নীতির বিরোধিতা করছে।
এদিকে টেক্সাসের এল পাসোর একটি কেন্দ্রে গত ছয় সপ্তাহে আটক তিন অভিবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে। অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলের সান ফ্রান্সিসকো ও সিয়াটলের মতো শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন