ভারতের উত্তরপ্রদেশের মোহাম্মদগঞ্জ গ্রামে ‘অনুমতি ছাড়া’ একটি খালি বাড়িতে জুম্মার নামাজ পড়ার অভিযোগে ১২ জনকে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, গত শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) গ্রামে একটি খালি বাড়িতে বেশ কয়েকজনকে নামাজ পড়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ ব্যবস্থা নেয়।
জেলার পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) অংশিকা ভার্মা জানিয়েছেন, মোহাম্মদগঞ্জ গ্রামের লোকজন অভিযোগ করেছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি খালি বাড়ি অস্থায়ী মাদ্রাসা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “অনুমতি ছাড়া নতুন কোনও ধর্মীয় কার্যকলাপ বা সমাবেশ করা আইন লঙ্ঘন। তাই এ বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি।”
তিনি আরও সতর্ক করেছেন, জনগণকে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। যদি এই ধরনের কার্যকলাপ পুনরায় ঘটে, তাহলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানায়, আটক ১২ জনকে শান্তি ভঙ্গের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং পরে আদালতে হাজির করার পর তাদের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনায় জড়িত আরও তিনজন পলাতক ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, খালি বাড়িটির মালিক হানিফ নামে এক ব্যক্তি এবং শুক্রবারের নামাজের জন্য এটি অস্থায়ীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। তবে অভিযুক্তরা কোনও লিখিত অনুমতি বা বৈধ নথিপত্র উপস্থাপন করতে পারেনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
ভারতের উত্তরপ্রদেশের মোহাম্মদগঞ্জ গ্রামে ‘অনুমতি ছাড়া’ একটি খালি বাড়িতে জুম্মার নামাজ পড়ার অভিযোগে ১২ জনকে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, গত শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) গ্রামে একটি খালি বাড়িতে বেশ কয়েকজনকে নামাজ পড়ার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ ব্যবস্থা নেয়।
জেলার পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) অংশিকা ভার্মা জানিয়েছেন, মোহাম্মদগঞ্জ গ্রামের লোকজন অভিযোগ করেছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি খালি বাড়ি অস্থায়ী মাদ্রাসা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “অনুমতি ছাড়া নতুন কোনও ধর্মীয় কার্যকলাপ বা সমাবেশ করা আইন লঙ্ঘন। তাই এ বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি।”
তিনি আরও সতর্ক করেছেন, জনগণকে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। যদি এই ধরনের কার্যকলাপ পুনরায় ঘটে, তাহলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানায়, আটক ১২ জনকে শান্তি ভঙ্গের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং পরে আদালতে হাজির করার পর তাদের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনায় জড়িত আরও তিনজন পলাতক ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, খালি বাড়িটির মালিক হানিফ নামে এক ব্যক্তি এবং শুক্রবারের নামাজের জন্য এটি অস্থায়ীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। তবে অভিযুক্তরা কোনও লিখিত অনুমতি বা বৈধ নথিপত্র উপস্থাপন করতে পারেনি।

আপনার মতামত লিখুন