পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় কাশ্মীরে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ২১ মিনিটে এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৯ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার গভীরে। তবে পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর (PMD) এই কম্পনের মাত্রা ৫.৮ বলে উল্লেখ করেছে।
এই শক্তিশালী কম্পনে গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলের হুনজা উপত্যকায় অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে। আঞ্চলিক তথ্যমন্ত্রী গুলাম আব্বাস জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের সময় পাহাড় থেকে বিশাল পাথর ধসে পড়ার কারণে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এছাড়া পাহাড়ি এই অঞ্চলে অন্তত ১০০টিরও বেশি কাঁচা ঘরবাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।
ভূমিকম্পের তীব্রতায় রাজধানী ইসলামাবাদসহ পেশোয়ার, সোয়াত, মারদান এবং গিলগিট-বালতিস্তানের মানুষ চরম আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে ঐতিহাসিক কারাকোরাম হাইওয়েসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। উদ্ধার কাজের জন্য এরই মধ্যে ভারী যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে।
পাকিস্তানের এই কম্পন প্রতিবেশী তিন দেশ চীন, তাজিকিস্তান এবং আফগানিস্তানেও অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে আফগানিস্তানের কাবুল এবং ভারতের উত্তর কাশ্মীরের কিছু অংশেও মৃদু কম্পনের খবর পাওয়া গেছে। তবে ওই দেশগুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান ভৌগোলিকভাবে ইন্ডিয়ান এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি দীর্ঘকাল ধরেই ভূমিকম্পপ্রবণ হিসেবে পরিচিত।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় কাশ্মীরে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ২১ মিনিটে এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৯ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার গভীরে। তবে পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর (PMD) এই কম্পনের মাত্রা ৫.৮ বলে উল্লেখ করেছে।
এই শক্তিশালী কম্পনে গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলের হুনজা উপত্যকায় অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে। আঞ্চলিক তথ্যমন্ত্রী গুলাম আব্বাস জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের সময় পাহাড় থেকে বিশাল পাথর ধসে পড়ার কারণে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এছাড়া পাহাড়ি এই অঞ্চলে অন্তত ১০০টিরও বেশি কাঁচা ঘরবাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।
ভূমিকম্পের তীব্রতায় রাজধানী ইসলামাবাদসহ পেশোয়ার, সোয়াত, মারদান এবং গিলগিট-বালতিস্তানের মানুষ চরম আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে ঐতিহাসিক কারাকোরাম হাইওয়েসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। উদ্ধার কাজের জন্য এরই মধ্যে ভারী যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে।
পাকিস্তানের এই কম্পন প্রতিবেশী তিন দেশ চীন, তাজিকিস্তান এবং আফগানিস্তানেও অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে আফগানিস্তানের কাবুল এবং ভারতের উত্তর কাশ্মীরের কিছু অংশেও মৃদু কম্পনের খবর পাওয়া গেছে। তবে ওই দেশগুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান ভৌগোলিকভাবে ইন্ডিয়ান এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি দীর্ঘকাল ধরেই ভূমিকম্পপ্রবণ হিসেবে পরিচিত।

আপনার মতামত লিখুন