মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কেন গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চান, তা নিয়ে তার অবস্থান আরও স্পষ্ট করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, গত ২০ বছর ধরে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ড থেকে ‘রাশিয়ান হুমকি’ দূর করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাই এখন সময় এসেছে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার। রোববার (১৮ জানুয়ারি, ২০২৬) নিজের মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। খবর রয়টার্স ও আনাদোলুর।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার পোস্টে লেখেন, ‘ন্যাটো গত ২০ বছর ধরে ডেনমার্ককে বলে আসছে যে গ্রিনল্যান্ড থেকে রাশিয়ার হুমকি দূর করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, ডেনমার্ক এ ব্যাপারে কিছুই করতে পারেনি। এখন সময় এসেছে এবং এটি করা হবে (দখল করা হবে)!!!’
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। বিশেষ করে তার প্রস্তাবিত নতুন ‘গোল্ডেন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ কার্যকারিতার জন্য এই দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থানের কারণে গত শনিবার তিনি এক নজিরবিহীন ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড ক্রয় বা এর নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ডেনমার্কসহ আটটি ইউরোপীয় মিত্র দেশের ওপর ধাপে ধাপে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে এবং জুনের মধ্যে তা ২৫ শতাংশে পৌঁছাবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
এদিকে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতারা ট্রাম্পের এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের কর্মকর্তারা বারবার স্পষ্ট করেছেন যে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয় এবং এটি কোনো বাণিজ্যিক পণ্য হতে পারে না। তারা উল্লেখ করেছেন যে, গ্রিনল্যান্ড ইতিমধ্যেই ন্যাটোর যৌথ নিরাপত্তা চুক্তির আওতায় রয়েছে এবং ডেনমার্কের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র সেখানে সামরিক সুবিধা পাচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা ট্রাম্পের এই শুল্কের হুমকির জবাবে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন এবং একে ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কেন গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চান, তা নিয়ে তার অবস্থান আরও স্পষ্ট করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, গত ২০ বছর ধরে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ড থেকে ‘রাশিয়ান হুমকি’ দূর করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাই এখন সময় এসেছে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার। রোববার (১৮ জানুয়ারি, ২০২৬) নিজের মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। খবর রয়টার্স ও আনাদোলুর।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার পোস্টে লেখেন, ‘ন্যাটো গত ২০ বছর ধরে ডেনমার্ককে বলে আসছে যে গ্রিনল্যান্ড থেকে রাশিয়ার হুমকি দূর করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, ডেনমার্ক এ ব্যাপারে কিছুই করতে পারেনি। এখন সময় এসেছে এবং এটি করা হবে (দখল করা হবে)!!!’
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। বিশেষ করে তার প্রস্তাবিত নতুন ‘গোল্ডেন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ কার্যকারিতার জন্য এই দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থানের কারণে গত শনিবার তিনি এক নজিরবিহীন ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড ক্রয় বা এর নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ডেনমার্কসহ আটটি ইউরোপীয় মিত্র দেশের ওপর ধাপে ধাপে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে এবং জুনের মধ্যে তা ২৫ শতাংশে পৌঁছাবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
এদিকে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতারা ট্রাম্পের এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের কর্মকর্তারা বারবার স্পষ্ট করেছেন যে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয় এবং এটি কোনো বাণিজ্যিক পণ্য হতে পারে না। তারা উল্লেখ করেছেন যে, গ্রিনল্যান্ড ইতিমধ্যেই ন্যাটোর যৌথ নিরাপত্তা চুক্তির আওতায় রয়েছে এবং ডেনমার্কের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র সেখানে সামরিক সুবিধা পাচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা ট্রাম্পের এই শুল্কের হুমকির জবাবে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন এবং একে ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্কের জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন