দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আগুনের বিধ্বংসী বিস্তার ঠেকাতে আক্রান্ত এলাকাগুলোতে জরুরি অবস্থা ও ‘মহাবিপর্যয়’ পরিস্থিতি ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। দাবানলের তাণ্ডবে ইতোমধ্যে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন এবং পুড়ে ছাই হয়ে গেছে শত শত বসতবাড়ি। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশটির দুটি অঞ্চলের প্রায় ৫০ হাজার একর এলাকা আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে।
চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক প্রাণঘাতী এই দাবানল ছড়িয়ে পড়া নুবলে ও বায়োবিও অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।” পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে এবং সেনাবাহিনীকেও উদ্ধারকাজে নামানো হয়েছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বায়োবিও ও নুবলে অঞ্চলে দাবানলের প্রভাব সবচেয়ে ভয়াবহ। তীব্র তাপদাহ এবং প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত জনবসতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫০টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। বিশেষ করে পেনকো ও লিরকেন শহর থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
চিলির বন বিভাগ (কনাফ) জানিয়েছে, বর্তমানে দমকল কর্মীরা সারা দেশে অন্তত ২৪টি বড় ধরণের আগুনের সঙ্গে লড়াই করছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে রাস্তায় পড়ে থাকা পুড়ে যাওয়া অসংখ্য যানবাহনের কঙ্কালসার ছবি। দীর্ঘমেয়াদি খরা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে চিলিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দাবানলের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা আগুন নেভানোর কাজকে আরও জটিল করে তুলবে। চিলির বড় একটি অংশ জুড়ে বর্তমানে চরম তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আগুনের বিধ্বংসী বিস্তার ঠেকাতে আক্রান্ত এলাকাগুলোতে জরুরি অবস্থা ও ‘মহাবিপর্যয়’ পরিস্থিতি ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। দাবানলের তাণ্ডবে ইতোমধ্যে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন এবং পুড়ে ছাই হয়ে গেছে শত শত বসতবাড়ি। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশটির দুটি অঞ্চলের প্রায় ৫০ হাজার একর এলাকা আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে।
চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক প্রাণঘাতী এই দাবানল ছড়িয়ে পড়া নুবলে ও বায়োবিও অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।” পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে এবং সেনাবাহিনীকেও উদ্ধারকাজে নামানো হয়েছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বায়োবিও ও নুবলে অঞ্চলে দাবানলের প্রভাব সবচেয়ে ভয়াবহ। তীব্র তাপদাহ এবং প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত জনবসতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫০টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। বিশেষ করে পেনকো ও লিরকেন শহর থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
চিলির বন বিভাগ (কনাফ) জানিয়েছে, বর্তমানে দমকল কর্মীরা সারা দেশে অন্তত ২৪টি বড় ধরণের আগুনের সঙ্গে লড়াই করছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে রাস্তায় পড়ে থাকা পুড়ে যাওয়া অসংখ্য যানবাহনের কঙ্কালসার ছবি। দীর্ঘমেয়াদি খরা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে চিলিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দাবানলের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা আগুন নেভানোর কাজকে আরও জটিল করে তুলবে। চিলির বড় একটি অংশ জুড়ে বর্তমানে চরম তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন