চীনের জনসংখ্যা চার বছর টানা হ্রাস পাচ্ছে, এবং ২০২৫ সালে জন্মসংখ্যা ও জন্মহার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর চীনে মাত্র ৭.৯২ মিলিয়ন শিশু জন্মেছে, যা আগের বছরের তুলনায় আরও কম। জন্মহার প্রতি ১,০০০ জনে প্রায় ৫.৬৩, যা ১৯৪৯ সালের পর থেকে পরিসংখ্যান শুরু হওয়ার পর সর্বনিম্ন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জন্মহার কমার পেছনে ওয়ান-চাইল্ড নীতি, উচ্চ নগরায়ণ ও জীবনযাপনের ব্যয়, বিবাহ ও পরিবার স্থাপনের হ্রাস, এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মূল কারণ হিসেবে কাজ করছে। শহরে বসবাসকারী তরুণরা সন্তান ধারণের পরিকল্পনা পিছিয়ে দিচ্ছে, ফলে জন্মসংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে।
নিম্ন জন্মহার চীনের অর্থনীতি ও সমাজের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে। জন্মসংখ্যা কমার ফলে কর্মক্ষম জনসংখ্যার সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে, এবং বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ায় পেনশন ও স্বাস্থ্যখাতের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। সরকার জন্মহার বাড়ানোর জন্য নানা প্রণোদনা চালু করলেও উৎপাদন হারে এখনো কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চীনের জনসংখ্যা ও অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। আগামী কয়েক বছরে কার্যকর নীতি গ্রহণ করা না হলে দেশটির বৃদ্ধ জনসংখ্যা ও কম জন্মহার সমন্বয়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপ আরও বাড়বে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
চীনের জনসংখ্যা চার বছর টানা হ্রাস পাচ্ছে, এবং ২০২৫ সালে জন্মসংখ্যা ও জন্মহার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর চীনে মাত্র ৭.৯২ মিলিয়ন শিশু জন্মেছে, যা আগের বছরের তুলনায় আরও কম। জন্মহার প্রতি ১,০০০ জনে প্রায় ৫.৬৩, যা ১৯৪৯ সালের পর থেকে পরিসংখ্যান শুরু হওয়ার পর সর্বনিম্ন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জন্মহার কমার পেছনে ওয়ান-চাইল্ড নীতি, উচ্চ নগরায়ণ ও জীবনযাপনের ব্যয়, বিবাহ ও পরিবার স্থাপনের হ্রাস, এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মূল কারণ হিসেবে কাজ করছে। শহরে বসবাসকারী তরুণরা সন্তান ধারণের পরিকল্পনা পিছিয়ে দিচ্ছে, ফলে জন্মসংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে।
নিম্ন জন্মহার চীনের অর্থনীতি ও সমাজের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে। জন্মসংখ্যা কমার ফলে কর্মক্ষম জনসংখ্যার সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে, এবং বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ায় পেনশন ও স্বাস্থ্যখাতের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। সরকার জন্মহার বাড়ানোর জন্য নানা প্রণোদনা চালু করলেও উৎপাদন হারে এখনো কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চীনের জনসংখ্যা ও অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। আগামী কয়েক বছরে কার্যকর নীতি গ্রহণ করা না হলে দেশটির বৃদ্ধ জনসংখ্যা ও কম জন্মহার সমন্বয়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপ আরও বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন