পরিবার গঠনে তরুণদের উৎসাহিত করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ‘আল হাবতুর গ্রুপ’ তাদের কর্মীদের জন্য বিশেষ আর্থিক অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে।
দুবাইয়ের প্রখ্যাত ধনকুবের ও প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খালাফ আল হাবতুর জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো আমিরাতি নাগরিক বিয়ে করলে তাকে ৫০ হাজার দিরহাম দেওয়া হবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ লাখ টাকার সমান। এবং বিয়ের দুই বছরের মধ্যে যদি ওই দম্পতির সন্তান জন্ম নেয়, অনুদানের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হবে, অর্থাৎ প্রায় ৩২ লাখ টাকার সমান। খবর খালিজ টাইমস।
খালাফ আল হাবতুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, বিবাহ ও পরিবার গঠন কেবল ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এটি সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্বও বটে। তিনি বলেন, “একটি শক্তিশালী জাতি ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে পরিবারের ভূমিকা অপরিসীম। সরকার যুবসমাজকে পারিবারিক জীবন শুরু করতে সহায়তা দিচ্ছে, তবে দেশের প্রতিটি সচ্ছল প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকের পক্ষ থেকেও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটির মোট জনসংখ্যা প্রায় এক কোটি ১৫ লাখ, যার মধ্যে স্থানীয় নাগরিকদের হার মাত্র ১৫ শতাংশ। জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখা এবং স্থানীয়দের পারিবারিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশটির সরকার আগে থেকেই বিভিন্ন আর্থিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
আল হাবতুর গ্রুপের এই উদ্যোগ সেই সরকারি প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত বেসরকারি খাতে আমিরাতি নাগরিকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ বোনাস বা অনুদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
পরিবার গঠনে তরুণদের উৎসাহিত করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ‘আল হাবতুর গ্রুপ’ তাদের কর্মীদের জন্য বিশেষ আর্থিক অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে।
দুবাইয়ের প্রখ্যাত ধনকুবের ও প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খালাফ আল হাবতুর জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো আমিরাতি নাগরিক বিয়ে করলে তাকে ৫০ হাজার দিরহাম দেওয়া হবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ লাখ টাকার সমান। এবং বিয়ের দুই বছরের মধ্যে যদি ওই দম্পতির সন্তান জন্ম নেয়, অনুদানের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হবে, অর্থাৎ প্রায় ৩২ লাখ টাকার সমান। খবর খালিজ টাইমস।
খালাফ আল হাবতুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, বিবাহ ও পরিবার গঠন কেবল ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এটি সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্বও বটে। তিনি বলেন, “একটি শক্তিশালী জাতি ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে পরিবারের ভূমিকা অপরিসীম। সরকার যুবসমাজকে পারিবারিক জীবন শুরু করতে সহায়তা দিচ্ছে, তবে দেশের প্রতিটি সচ্ছল প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকের পক্ষ থেকেও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটির মোট জনসংখ্যা প্রায় এক কোটি ১৫ লাখ, যার মধ্যে স্থানীয় নাগরিকদের হার মাত্র ১৫ শতাংশ। জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখা এবং স্থানীয়দের পারিবারিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশটির সরকার আগে থেকেই বিভিন্ন আর্থিক কর্মসূচি পরিচালনা করছে।
আল হাবতুর গ্রুপের এই উদ্যোগ সেই সরকারি প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত বেসরকারি খাতে আমিরাতি নাগরিকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ বোনাস বা অনুদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন