ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মমতার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মানহানি মামলা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

মমতার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মানহানি মামলা

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপি মানহানির মামলা দায়ের করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। মামলাটি করেছেন কয়লা কেলেঙ্কারিতে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং শুভেন্দু অধিকারী জড়িত থাকার অভিযোগে মমতা মন্তব্য করার পরিপ্রেক্ষিতে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) আলিপুর আদালতে এই মামলা দায়ের করেন শুভেন্দু। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডল পোস্টে মামলার কপি শেয়ার করে লিখেছেন, “শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আমি আমার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি, আর আপনি বিষয়গুলো নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করেন। কয়লা কেলেঙ্কারিতে আমার সম্পৃক্ততার বিষয়ে আপনার জঘন্য কাল্পনিক অভিযোগ এবং তার প্রেক্ষিতে মানহানির নোটিশের প্রতি আপনার প্রতারণামূলক নীরবতা আপনাকে কোনোভাবেই মুক্তি দেবে না।”

শুভেন্দু আরও বলেন, “আপনার প্রতারণামূলক অপকর্মের জন্য আপনাকে আদালতে টেনে আনার কথা বলেছিলাম এবং আমি সেই প্রতিশ্রুতি রেখেছি। আজই আপনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি। দয়া করে অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করুন, নাহলে আপনাকে ১০০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ওই অর্থ আমি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করব।”

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের অফিস এবং কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশির প্রতিবাদে ৯ জানুয়ারি পথে নেমেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের রণকৌশল চুরি করার উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা হানা দিয়েছেন। ইডি দাবি করেছিল, ২০২০ সালে পুরনো একটি কয়লা মামলার তল্লাশিতেই আইপ্যাক অফিসে যাওয়া হয়েছে।

মিছিলের পর হাজরা মোড়ে জনসভায় মমতা বলেন, “ইডি বলছে, কয়লা পাচার মামলার তদন্ত করতে এসেছিল। আমার প্রশ্ন, কয়লা চুরির টাকা কে খায়, কী করে খায়? গদ্দারের মাধ্যমে টাকা যায়। এখন তো সে অ্যাডপটেড সন হয়ে গেছে। আরেকজন আছে জগন্নাথ। তিনি হলেন বিজেপির এক বড় ডাকাত। বিজেপির জগন্নাথ টু শুভেন্দু অধিকারী, শুভেন্দু অধিকারী টু অমিত শাহ – এইভাবে কয়লা চুরির টাকা পকেটে ঢুকে যায়।”

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


মমতার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপির মানহানি মামলা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি রুপি মানহানির মামলা দায়ের করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। মামলাটি করেছেন কয়লা কেলেঙ্কারিতে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং শুভেন্দু অধিকারী জড়িত থাকার অভিযোগে মমতা মন্তব্য করার পরিপ্রেক্ষিতে।


শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) আলিপুর আদালতে এই মামলা দায়ের করেন শুভেন্দু। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডল পোস্টে মামলার কপি শেয়ার করে লিখেছেন, “শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আমি আমার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি, আর আপনি বিষয়গুলো নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করেন। কয়লা কেলেঙ্কারিতে আমার সম্পৃক্ততার বিষয়ে আপনার জঘন্য কাল্পনিক অভিযোগ এবং তার প্রেক্ষিতে মানহানির নোটিশের প্রতি আপনার প্রতারণামূলক নীরবতা আপনাকে কোনোভাবেই মুক্তি দেবে না।”


শুভেন্দু আরও বলেন, “আপনার প্রতারণামূলক অপকর্মের জন্য আপনাকে আদালতে টেনে আনার কথা বলেছিলাম এবং আমি সেই প্রতিশ্রুতি রেখেছি। আজই আপনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি। দয়া করে অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করুন, নাহলে আপনাকে ১০০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ওই অর্থ আমি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করব।”


প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের অফিস এবং কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশির প্রতিবাদে ৯ জানুয়ারি পথে নেমেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের রণকৌশল চুরি করার উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা হানা দিয়েছেন। ইডি দাবি করেছিল, ২০২০ সালে পুরনো একটি কয়লা মামলার তল্লাশিতেই আইপ্যাক অফিসে যাওয়া হয়েছে।


মিছিলের পর হাজরা মোড়ে জনসভায় মমতা বলেন, “ইডি বলছে, কয়লা পাচার মামলার তদন্ত করতে এসেছিল। আমার প্রশ্ন, কয়লা চুরির টাকা কে খায়, কী করে খায়? গদ্দারের মাধ্যমে টাকা যায়। এখন তো সে অ্যাডপটেড সন হয়ে গেছে। আরেকজন আছে জগন্নাথ। তিনি হলেন বিজেপির এক বড় ডাকাত। বিজেপির জগন্নাথ টু শুভেন্দু অধিকারী, শুভেন্দু অধিকারী টু অমিত শাহ – এইভাবে কয়লা চুরির টাকা পকেটে ঢুকে যায়।”


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ