চট্টগ্রাম বন্দর এবার সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড করেছে। বন্দরের রাজস্ব আয়ের গড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৩.৮ শতাংশ এবং রাজস্ব উদ্বৃত্তের গড় বৃদ্ধি ১৮.৪২ শতাংশ। ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বন্দরে রাজস্ব আয় ও উদ্বৃত্তে ধারাবাহিক ও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।
ভ্যাট ও কর-বহির্ভূত আয় হিসেবে সরকারের কোষাগারে ২০২৫ সালে ১,৮০৪.৪৭ কোটি টাকা জমা দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, যা গত পাঁচ বছরের সর্বোচ্চ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানান, সেবার মান অক্ষুণ্ণ রেখে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার কারণে এই ইতিবাচক অর্জন সম্ভব হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মোট রাজস্ব আয় দাঁড়িয়েছে ৫,৪৬০.১৮ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ২,৩১৭.৫০ কোটি টাকা। ফলে করপোরেট করের আগে রাজস্ব উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৩,১৪২.৬৮ কোটি টাকা, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে আয় ছিল ৫,০৭৬.৭৫ কোটি টাকা, ব্যয় ২,১৫৩.৫৮ কোটি টাকা এবং উদ্বৃত্ত ২,৯২৩.১৭ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে আয় ৪,১৬৫.১৯ কোটি, ব্যয় ২,০২২.০৮ কোটি এবং উদ্বৃত্ত ২,১৪৩.১১ কোটি টাকা।
ভ্যাট, কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব মিলিয়ে জাতীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার অর্থের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালে এর মধ্যে কর বাবদ জমা হয়েছে ৭৯৫.০৪ কোটি, ভ্যাট বাবদ ৮০৯.৪৩ কোটি এবং কর-বহির্ভূত আয় (এনটিআর) ২০০ কোটি টাকা। গত পাঁচ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরের মোট এনটিআর, ভ্যাট ও কর বাবদ জাতীয় কোষাগারে জমা দেওয়া অর্থ ৭,৫৮০ কোটি টাকার বেশি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কার্যকর আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও দক্ষ বন্দর পরিচালনার কারণে রাজস্ব আয় ও উদ্বৃত্ত দুই ক্ষেত্রে এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকলে চট্টগ্রাম বন্দরের অবদান জাতীয় অর্থনীতিতে আরও দৃঢ় হবে।
চট্টগ্রাম বন্দর দেশের ৯০ শতাংশ আমদানি-রফতানির প্রাণকেন্দ্র। তবে বন্দরের অনেক টার্মিনাল এখনও কার্যক্রমে নেই। এর মধ্যে ছোট একটি টার্মিনাল সৌদি কোম্পানির দায়িত্বে রয়েছে, যা ঠিকভাবে কাজ করছে না। নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনা করছে নৌবাহিনীর একটি সংস্থা। তবে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে রাজস্ব আয়ও ক্রমবর্ধমান ধারা বজায় রাখছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দর এবার সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড করেছে। বন্দরের রাজস্ব আয়ের গড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৩.৮ শতাংশ এবং রাজস্ব উদ্বৃত্তের গড় বৃদ্ধি ১৮.৪২ শতাংশ। ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বন্দরে রাজস্ব আয় ও উদ্বৃত্তে ধারাবাহিক ও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।
ভ্যাট ও কর-বহির্ভূত আয় হিসেবে সরকারের কোষাগারে ২০২৫ সালে ১,৮০৪.৪৭ কোটি টাকা জমা দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, যা গত পাঁচ বছরের সর্বোচ্চ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানান, সেবার মান অক্ষুণ্ণ রেখে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার কারণে এই ইতিবাচক অর্জন সম্ভব হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মোট রাজস্ব আয় দাঁড়িয়েছে ৫,৪৬০.১৮ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ২,৩১৭.৫০ কোটি টাকা। ফলে করপোরেট করের আগে রাজস্ব উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৩,১৪২.৬৮ কোটি টাকা, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে আয় ছিল ৫,০৭৬.৭৫ কোটি টাকা, ব্যয় ২,১৫৩.৫৮ কোটি টাকা এবং উদ্বৃত্ত ২,৯২৩.১৭ কোটি টাকা। ২০২৩ সালে আয় ৪,১৬৫.১৯ কোটি, ব্যয় ২,০২২.০৮ কোটি এবং উদ্বৃত্ত ২,১৪৩.১১ কোটি টাকা।
ভ্যাট, কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব মিলিয়ে জাতীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার অর্থের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালে এর মধ্যে কর বাবদ জমা হয়েছে ৭৯৫.০৪ কোটি, ভ্যাট বাবদ ৮০৯.৪৩ কোটি এবং কর-বহির্ভূত আয় (এনটিআর) ২০০ কোটি টাকা। গত পাঁচ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরের মোট এনটিআর, ভ্যাট ও কর বাবদ জাতীয় কোষাগারে জমা দেওয়া অর্থ ৭,৫৮০ কোটি টাকার বেশি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কার্যকর আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও দক্ষ বন্দর পরিচালনার কারণে রাজস্ব আয় ও উদ্বৃত্ত দুই ক্ষেত্রে এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকলে চট্টগ্রাম বন্দরের অবদান জাতীয় অর্থনীতিতে আরও দৃঢ় হবে।
চট্টগ্রাম বন্দর দেশের ৯০ শতাংশ আমদানি-রফতানির প্রাণকেন্দ্র। তবে বন্দরের অনেক টার্মিনাল এখনও কার্যক্রমে নেই। এর মধ্যে ছোট একটি টার্মিনাল সৌদি কোম্পানির দায়িত্বে রয়েছে, যা ঠিকভাবে কাজ করছে না। নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনা করছে নৌবাহিনীর একটি সংস্থা। তবে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে রাজস্ব আয়ও ক্রমবর্ধমান ধারা বজায় রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন