চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলায় শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি ২০২৬) রাতে সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনীর অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারসহ দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযানটি উপজেলার বেংগুরা অঞ্চলের একটি রাজনৈতিক নেতার বাড়িতে পরিচালনা করা হয়।
যৌথ বাহিনী সূত্র জানিয়েছে, ধৃত দুই সালাহউদ্দিন রুমি (৫১) ও সাইফুল ইসলাম (৫৬)। তারা একই এলাকার মৃত আবুল বশরের ছেলে। তাদের বড় ভাই বেলাল হোসেন ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
সেনাবাহিনীর ৪৮ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্টের তত্ত্বাবধানে ও বোয়ালখালী আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে অভিযানে প্রথম পর্যায়ে চারটি বিদেশি শটগান, দুটি বিদেশি পিস্তল এবং ১৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
যুদ্ধস্তর উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযানের সময় সন্দেহভাজনরা পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তবে তারা দ্রুত বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণে অত সফল হননি। পরে বাড়িতে চালানো ব্যাপক তল্লাশি ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে অস্ত্র ও সরঞ্জামগুলো बरामদ করা হয়।
“যুদ্ধস্তর পরিচালনা করা মেজর মো. রাশেল বলেছেন, বাহিনীর কাছে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তাদের বিভিন্ন অবস্থানে আরও লুকানো অস্ত্র ও গোলাবারু থাকতে পারে এবং তা উদ্ধারের কাজ এখনও চলমান রয়েছে।”
সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাইকে অস্ত্র ব্যবসা এবং অবৈধ ভাবে নিজস্ব অস্ত্র তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহ পাওয়া গেছে। তারা স্থানীয় বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সরবরাহকারী হিসেবেও জড়িত থাকার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ মামলায় সংশ্লিষ্ট দুইজনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক কর্মকর্তা তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন বলে বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।
অভিযানকালে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী ও ঘটনার সবিস্তার তদন্তের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সিজার লিস্ট প্রস্তুত করা হয়েছে এবং আইনগত কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, অভিযানের উদ্দেশ্য অবৈধ অস্ত্র বানানো ও বিক্রির চেইন ধরে অভিযান পরিচালনা করা এবং সমগ্র অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা। ইতোমধ্যে তারা বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র জব্দকৃত হওয়ায় গোয়েন্দা তথ্য আরও যাচাই করার কাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলায় শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি ২০২৬) রাতে সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনীর অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারসহ দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযানটি উপজেলার বেংগুরা অঞ্চলের একটি রাজনৈতিক নেতার বাড়িতে পরিচালনা করা হয়।
যৌথ বাহিনী সূত্র জানিয়েছে, ধৃত দুই সালাহউদ্দিন রুমি (৫১) ও সাইফুল ইসলাম (৫৬)। তারা একই এলাকার মৃত আবুল বশরের ছেলে। তাদের বড় ভাই বেলাল হোসেন ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
সেনাবাহিনীর ৪৮ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্টের তত্ত্বাবধানে ও বোয়ালখালী আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে অভিযানে প্রথম পর্যায়ে চারটি বিদেশি শটগান, দুটি বিদেশি পিস্তল এবং ১৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
যুদ্ধস্তর উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযানের সময় সন্দেহভাজনরা পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তবে তারা দ্রুত বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণে অত সফল হননি। পরে বাড়িতে চালানো ব্যাপক তল্লাশি ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে অস্ত্র ও সরঞ্জামগুলো बरामদ করা হয়।
“যুদ্ধস্তর পরিচালনা করা মেজর মো. রাশেল বলেছেন, বাহিনীর কাছে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তাদের বিভিন্ন অবস্থানে আরও লুকানো অস্ত্র ও গোলাবারু থাকতে পারে এবং তা উদ্ধারের কাজ এখনও চলমান রয়েছে।”
সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাইকে অস্ত্র ব্যবসা এবং অবৈধ ভাবে নিজস্ব অস্ত্র তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহ পাওয়া গেছে। তারা স্থানীয় বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সরবরাহকারী হিসেবেও জড়িত থাকার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ মামলায় সংশ্লিষ্ট দুইজনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে আদালতে হাজির করা হলে বিচারিক কর্মকর্তা তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন বলে বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।
অভিযানকালে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী ও ঘটনার সবিস্তার তদন্তের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সিজার লিস্ট প্রস্তুত করা হয়েছে এবং আইনগত কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, অভিযানের উদ্দেশ্য অবৈধ অস্ত্র বানানো ও বিক্রির চেইন ধরে অভিযান পরিচালনা করা এবং সমগ্র অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা। ইতোমধ্যে তারা বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র জব্দকৃত হওয়ায় গোয়েন্দা তথ্য আরও যাচাই করার কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন