গ্রিনল্যান্ডে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জেফ লেন্ডরি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ডেনমার্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চুক্তি হওয়া উচিত এবং শেষ পর্যন্ত সেটি হবেই। সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়ে ‘সিরিয়াস’।
লেন্ডরি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, বর্তমান পরিস্থিতির নিরসন হলে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে চুক্তি হওয়া উচিত এবং এটি হবেই।” তার ভাষায়, ট্রাম্প ইতোমধ্যে ডেনমার্কের কাছে নিজের অবস্থান ও শর্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি প্রেসিডেন্ট তার শর্ত পরিষ্কার করে দিয়েছেন। ডেনমার্কের কাছে তিনি কী চাইছেন, তা তাদের জানানো হয়েছে। এখন পরবর্তী ধাপ হলো ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর মাধ্যমে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো।”
মার্কিন এই বিশেষ দূত জানান, আগামী মার্চে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে তার।
এদিকে সাম্প্রতিক কয়েক দিন ধরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন। বরফে আচ্ছাদিত বিশাল এই আর্কটিক অঞ্চলটি বর্তমানে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও ট্রাম্প এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করতে আগ্রহী। অঞ্চলটিতে বিপুল পরিমাণ খনিজ সম্পদ রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
গ্রিনল্যান্ডে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত জেফ লেন্ডরি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ডেনমার্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চুক্তি হওয়া উচিত এবং শেষ পর্যন্ত সেটি হবেই। সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়ে ‘সিরিয়াস’।
লেন্ডরি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, বর্তমান পরিস্থিতির নিরসন হলে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে চুক্তি হওয়া উচিত এবং এটি হবেই।” তার ভাষায়, ট্রাম্প ইতোমধ্যে ডেনমার্কের কাছে নিজের অবস্থান ও শর্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি প্রেসিডেন্ট তার শর্ত পরিষ্কার করে দিয়েছেন। ডেনমার্কের কাছে তিনি কী চাইছেন, তা তাদের জানানো হয়েছে। এখন পরবর্তী ধাপ হলো ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর মাধ্যমে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো।”
মার্কিন এই বিশেষ দূত জানান, আগামী মার্চে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে তার।
এদিকে সাম্প্রতিক কয়েক দিন ধরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন। বরফে আচ্ছাদিত বিশাল এই আর্কটিক অঞ্চলটি বর্তমানে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও ট্রাম্প এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করতে আগ্রহী। অঞ্চলটিতে বিপুল পরিমাণ খনিজ সম্পদ রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন