আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগকে “ভিত্তিহীন” হিসেবে অস্বীকার করেছে। ২০১৭ সালে রাখাইনে সামরিক অভিযান পরিচালনার পর রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আন্তর্জাতিকভাবে উঠেছিল।
মিয়ানমার আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করে বলেছে, ২০১৭ সালের অভিযান ছিল রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার প্রতিক্রিয়ায় নেওয়া বৈধ সন্ত্রাসবিরোধী ব্যবস্থা। তারা দাবি করেছে, গাম্বিয়া রাষ্ট্র প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে যে অভিযানের উদ্দেশ্য রোহিঙ্গাদের ধ্বংস করা। মিয়ানমারের আইনজীবীরা এই অভিযোগকে “ত্রুটিপূর্ণ” এবং “প্রমাণহীন” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আইসিজে মামলাটি ২০১৯ সালে গাম্বিয়ার মাধ্যমে দায়ের করা হয়েছিল। মামলায় বলা হয়েছে যে মিয়ানমার জাতিসংঘের জেনোসাইড কনভেনশন লঙ্ঘন করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলেছে, রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ ও গ্রাম ধ্বংসের ঘটনা ঘটেছে। তবে মিয়ানমার সরকার এসব তথ্য প্রত্যাখ্যান করছে।
আইসিজে মামলাটি আন্তর্জাতিক ফোকাস পেয়েছে, কারণ এটি দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন প্রথম পূর্ণ জেনোসাইড মামলা। শুনানি চলমান এবং আদালত চূড়ান্তভাবে রায় দেবে যে ২০১৭ সালের ঘটনাগুলো জেনোসাইড হিসেবে গণ্য করা যায় কি না। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই মামলার দিকে নজর রাখছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগকে “ভিত্তিহীন” হিসেবে অস্বীকার করেছে। ২০১৭ সালে রাখাইনে সামরিক অভিযান পরিচালনার পর রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আন্তর্জাতিকভাবে উঠেছিল।
মিয়ানমার আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করে বলেছে, ২০১৭ সালের অভিযান ছিল রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার প্রতিক্রিয়ায় নেওয়া বৈধ সন্ত্রাসবিরোধী ব্যবস্থা। তারা দাবি করেছে, গাম্বিয়া রাষ্ট্র প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছে যে অভিযানের উদ্দেশ্য রোহিঙ্গাদের ধ্বংস করা। মিয়ানমারের আইনজীবীরা এই অভিযোগকে “ত্রুটিপূর্ণ” এবং “প্রমাণহীন” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আইসিজে মামলাটি ২০১৯ সালে গাম্বিয়ার মাধ্যমে দায়ের করা হয়েছিল। মামলায় বলা হয়েছে যে মিয়ানমার জাতিসংঘের জেনোসাইড কনভেনশন লঙ্ঘন করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলেছে, রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ ও গ্রাম ধ্বংসের ঘটনা ঘটেছে। তবে মিয়ানমার সরকার এসব তথ্য প্রত্যাখ্যান করছে।
আইসিজে মামলাটি আন্তর্জাতিক ফোকাস পেয়েছে, কারণ এটি দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন প্রথম পূর্ণ জেনোসাইড মামলা। শুনানি চলমান এবং আদালত চূড়ান্তভাবে রায় দেবে যে ২০১৭ সালের ঘটনাগুলো জেনোসাইড হিসেবে গণ্য করা যায় কি না। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই মামলার দিকে নজর রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন