ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

কমেছে ডিমের দাম, মাছ-মুরগির বাজার স্থিতিশীল


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

কমেছে ডিমের দাম, মাছ-মুরগির বাজার স্থিতিশীল

শীত মৌসুমের মধ্যেও দেশের খুচরা বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ বিরাজ করছে। আজকের বাজার পরিস্থিতিতে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে, কিন্তু মাছ ও মুরগির দাম আপাতত স্থিতিশীল ও উচ্চ অবস্থায় রয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে।

আজ (১৬ জানুয়ারী) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার পরিদর্শনে দেখা গেছে, ডিমের দাম কমে এসেছে। ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, ডজনপ্রতি ডিমের দাম গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে, যা ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে। বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন সরবরাহ বৃদ্ধি এবং মরসুমের কিছু পণ্যের পর্যাপ্ত উপস্থিতি ডিমের সরবরাহকে ক্ষমতাসম্পন্ন করেছে, ফলে দাম কিছুটা নেমে এসেছে।

কিছু বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে ফার্ম‑উৎপাদিত ডিম এখন প্রায় ১১০ টাকা/ডজন পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে এক মাস আগে এটি ছিল প্রায় ১২০ টাকা/ডজন। সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য বজায় থাকায় এমন ধরণের দাম কম দেখা গেছে বলে অনেক বিক্রেতা মত দিয়েছেন।

ডিমের দামে স্বস্তি থাকলেও মাছের দাম এখনও উচ্চ ও আগের মতো স্থিতিশীল রয়েছে। বাজারের বেশ কিছু জনপ্রিয় মাছ, বিশেষত ইলিশ ও কোরালসহ অন্যান্য মাছের দাম ক্রেতাদের জন্য এখনো বেশ চ্যালেঞ্জিং। মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, শীতকালীন মৌসুমে সরবরাহ সীমিত থাকায় দাম দ্রুত নেমে যাচ্ছে না এবং উচ্চ স্তরেই স্থিতিশীল রয়েছে।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে দাম উল্লেখযোগ্য ওঠানামা না করেই স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম সামান্য পরিবর্তন থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি বা পতন দেখা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকায় দাম প্রায় স্থির রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিমের দাম সামান্য কমে আসায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দেখা যাচ্ছে। তবে মাছ এবং মুরগির দাম আগের মতোই স্থিতিশীল বা উচ্চ থাকায় নিত্যপণ্যের খরচে সামগ্রিক প্রভাব সীমিত। বাজারের সরবরাহ‑চাহিদার ভারসাম্য এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে এবং এটি কিছু সময় ধরে স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


কমেছে ডিমের দাম, মাছ-মুরগির বাজার স্থিতিশীল

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

শীত মৌসুমের মধ্যেও দেশের খুচরা বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ বিরাজ করছে। আজকের বাজার পরিস্থিতিতে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে, কিন্তু মাছ ও মুরগির দাম আপাতত স্থিতিশীল ও উচ্চ অবস্থায় রয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে।

আজ (১৬ জানুয়ারী) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার পরিদর্শনে দেখা গেছে, ডিমের দাম কমে এসেছে। ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, ডজনপ্রতি ডিমের দাম গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে, যা ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি নিয়ে এসেছে। বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন সরবরাহ বৃদ্ধি এবং মরসুমের কিছু পণ্যের পর্যাপ্ত উপস্থিতি ডিমের সরবরাহকে ক্ষমতাসম্পন্ন করেছে, ফলে দাম কিছুটা নেমে এসেছে।

কিছু বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে ফার্ম‑উৎপাদিত ডিম এখন প্রায় ১১০ টাকা/ডজন পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে এক মাস আগে এটি ছিল প্রায় ১২০ টাকা/ডজন। সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য বজায় থাকায় এমন ধরণের দাম কম দেখা গেছে বলে অনেক বিক্রেতা মত দিয়েছেন।

ডিমের দামে স্বস্তি থাকলেও মাছের দাম এখনও উচ্চ ও আগের মতো স্থিতিশীল রয়েছে। বাজারের বেশ কিছু জনপ্রিয় মাছ, বিশেষত ইলিশ ও কোরালসহ অন্যান্য মাছের দাম ক্রেতাদের জন্য এখনো বেশ চ্যালেঞ্জিং। মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, শীতকালীন মৌসুমে সরবরাহ সীমিত থাকায় দাম দ্রুত নেমে যাচ্ছে না এবং উচ্চ স্তরেই স্থিতিশীল রয়েছে।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে দাম উল্লেখযোগ্য ওঠানামা না করেই স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম সামান্য পরিবর্তন থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি বা পতন দেখা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকায় দাম প্রায় স্থির রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিমের দাম সামান্য কমে আসায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দেখা যাচ্ছে। তবে মাছ এবং মুরগির দাম আগের মতোই স্থিতিশীল বা উচ্চ থাকায় নিত্যপণ্যের খরচে সামগ্রিক প্রভাব সীমিত। বাজারের সরবরাহ‑চাহিদার ভারসাম্য এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে এবং এটি কিছু সময় ধরে স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ