সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিভিন্ন মামলায় দণ্ডিত ৪৪০ জন বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির ৫৪তম জাতীয় দিবস ইদ আল ইতিহাদ উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা এই ক্ষমা প্রদান করেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদযাপনের অংশ হিসেবে এই রাজকীয় ক্ষমা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আমিরাতজুড়ে বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকে ক্ষমা করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রতি বছর জাতীয় দিবস, ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডিত বন্দিদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষমাশীলতার চর্চা, সমাজে পুনরায় একীভূত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি এবং পারিবারিক পুনর্মিলনকে উৎসাহিত করা।
এবারের ক্ষমা কর্মসূচির আওতায় ২০২৫ সালের শেষ দিকে বিপুলসংখ্যক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এর ফলে তাঁরা নতুন করে জীবন শুরু করার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
এই উদ্যোগ সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকদের মানবিক মূল্যবোধ, সহানুভূতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতিফলন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় দিবস ইদ আল ইতিহাদ প্রতিবছর ২ ডিসেম্বর পালিত হয়। ১৯৭১ সালে এক পতাকার অধীনে আমিরাতসমূহের ঐতিহাসিক ঐক্যের স্মরণে এ দিনটি উদযাপন করা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিভিন্ন মামলায় দণ্ডিত ৪৪০ জন বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির ৫৪তম জাতীয় দিবস ইদ আল ইতিহাদ উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা এই ক্ষমা প্রদান করেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদযাপনের অংশ হিসেবে এই রাজকীয় ক্ষমা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আমিরাতজুড়ে বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকে ক্ষমা করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রতি বছর জাতীয় দিবস, ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডিত বন্দিদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষমাশীলতার চর্চা, সমাজে পুনরায় একীভূত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি এবং পারিবারিক পুনর্মিলনকে উৎসাহিত করা।
এবারের ক্ষমা কর্মসূচির আওতায় ২০২৫ সালের শেষ দিকে বিপুলসংখ্যক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এর ফলে তাঁরা নতুন করে জীবন শুরু করার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
এই উদ্যোগ সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকদের মানবিক মূল্যবোধ, সহানুভূতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতিফলন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় দিবস ইদ আল ইতিহাদ প্রতিবছর ২ ডিসেম্বর পালিত হয়। ১৯৭১ সালে এক পতাকার অধীনে আমিরাতসমূহের ঐতিহাসিক ঐক্যের স্মরণে এ দিনটি উদযাপন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন