ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যেই নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন দেশের শেষ শাহের ছেলে ও ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভি। তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে এবং ইরানের সামরিক খাতে পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করা হবে।
রেজা পাহলভি বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া ভিডিও বার্তায় বলেন, “ইরানকে আপনাদের কাছে সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা এবং দরিদ্র্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু আসল ইরান একটি সুন্দর, শান্তিপ্রিয় এবং সমৃদ্ধ দেশ। বর্তমান ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতনের পর সেই ইরান আবারো ফিরে আসবে।” তিনি আরও বলেন, সামরিক খাতে পরমাণু প্রকল্প বন্ধ করা হবে, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সমর্থন বন্ধ করা হবে, এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে সন্ত্রাস, সংঘবদ্ধ অপরাধ, মাদক পাচার ও ইসলামি কট্টরপন্থার বিরুদ্ধে লড়াই করা হবে।
পাশ্চিমাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বার্তা দিয়ে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন হবে এবং ইসরায়েল অবিলম্বে স্বীকৃতি পাবে। তিনি আরও বলেন, “আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণ ও সাইরাস চুক্তির মাধ্যমে স্বাধীন ইরান, ইসরায়েল এবং আরব বিশ্বকে একত্রিত করা হবে।”
রেজা পাহলভি ইরানের তেল ও গ্যাস মজুদ উল্লেখ করে বলেন, “একটি মুক্ত ইরান বিশ্বের জন্য নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহকারী হয়ে উঠবে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির দাম সহনশীল পর্যায়ে রাখা হবে।”
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগে তিনি রাজতান্ত্রিক শাসনের উত্তরাধিকারী হিসেবে প্রস্তুত ছিলেন। বিপ্লবের সময় যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নেন এবং তার পরিবার নির্বাসনে জীবন কাটাতে বাধ্য হয়। পরবর্তী কয়েক দশকে পরিবারটি একাধিক ট্র্যাজেডির মধ্য দিয়ে যায়; রেজা পাহলভির ছোট ভাই ও বোন আত্মহত্যা করেন। বর্তমানে ৬৫ বছর বয়সী তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির কাছে এক শান্ত উপশহরে বসবাস করছেন এবং ইরানের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যেই নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন দেশের শেষ শাহের ছেলে ও ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভি। তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে এবং ইরানের সামরিক খাতে পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করা হবে।
রেজা পাহলভি বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া ভিডিও বার্তায় বলেন, “ইরানকে আপনাদের কাছে সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা এবং দরিদ্র্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু আসল ইরান একটি সুন্দর, শান্তিপ্রিয় এবং সমৃদ্ধ দেশ। বর্তমান ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতনের পর সেই ইরান আবারো ফিরে আসবে।” তিনি আরও বলেন, সামরিক খাতে পরমাণু প্রকল্প বন্ধ করা হবে, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সমর্থন বন্ধ করা হবে, এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে সন্ত্রাস, সংঘবদ্ধ অপরাধ, মাদক পাচার ও ইসলামি কট্টরপন্থার বিরুদ্ধে লড়াই করা হবে।
পাশ্চিমাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বার্তা দিয়ে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন হবে এবং ইসরায়েল অবিলম্বে স্বীকৃতি পাবে। তিনি আরও বলেন, “আব্রাহাম চুক্তি সম্প্রসারণ ও সাইরাস চুক্তির মাধ্যমে স্বাধীন ইরান, ইসরায়েল এবং আরব বিশ্বকে একত্রিত করা হবে।”
রেজা পাহলভি ইরানের তেল ও গ্যাস মজুদ উল্লেখ করে বলেন, “একটি মুক্ত ইরান বিশ্বের জন্য নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহকারী হয়ে উঠবে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির দাম সহনশীল পর্যায়ে রাখা হবে।”
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগে তিনি রাজতান্ত্রিক শাসনের উত্তরাধিকারী হিসেবে প্রস্তুত ছিলেন। বিপ্লবের সময় যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নেন এবং তার পরিবার নির্বাসনে জীবন কাটাতে বাধ্য হয়। পরবর্তী কয়েক দশকে পরিবারটি একাধিক ট্র্যাজেডির মধ্য দিয়ে যায়; রেজা পাহলভির ছোট ভাই ও বোন আত্মহত্যা করেন। বর্তমানে ৬৫ বছর বয়সী তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির কাছে এক শান্ত উপশহরে বসবাস করছেন এবং ইরানের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন