ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করার পর যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির তেল বিক্রি শুরু করেছে। ইতোমধ্যে প্রথম চালানের তেল বিক্রি হয়েছে ৫০ কোটি ডলারে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪ জানুয়ারি ভোরে কারাকাসে মার্কিন সেনাবাহিনী মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে এবং বর্তমানে তারা নিউইয়র্ক সিটির ফেডারেল কারাগারে বন্দি আছেন। মার্কিন প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মাদক সরবরাহের অভিযোগে তাদের বিচার হবে।
মাদুরো দম্পতিকে অপহরণের তিন দিন পর, ৭ জানুয়ারি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার তেল যুক্তরাষ্ট্রে আনার ঘোষণা দেন। তিনি জানান, প্রথম চালান হিসেবে ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল তেল আসছে, যা বিক্রি হয়ে গেছে ৫০ কোটি ডলারে।
এরপর ৯ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে মার্কিন তেল কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। বৈঠকের পর তিনি ঘোষণা দেন, ভেনেজুয়েলার তেল খাতে অচিরেই অন্তত ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আসবে। তবে বেশিরভাগ কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তা ট্রাম্পের প্রত্যাশাকে কার্যত অস্বীকার করেন। অ্যাক্সন মোবিলের শীর্ষ নির্বাহী ড্যারেন উডস বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার তেল খাতে বিনিয়োগ সম্ভব নয়, কারণ সেখানে অনেক আইনগত ও বাণিজ্যিক ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করতে হবে।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে তেলসমৃদ্ধ দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য সংস্থা ইউএস এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইআইএ) অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার খনিতে কমপক্ষে ৩০ হাজার ৩০০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল মজুত আছে। বিশ্বের মোট তেলের এক পঞ্চমাংশ এই দেশেই রয়েছে।
তবে এত বড় মজুত থাকা সত্ত্বেও ভেনেজুয়েলার দৈনিক তেলের উৎপাদন খুবই কম; প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১০ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে দেশটি। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিদিন সরবরাহ হওয়া অপরিশোধিত তেলের মাত্র ০.৮ শতাংশ আসে ভেনেজুয়েলা থেকে। ভেনেজুয়েলার তেল ভারী ও ঘন, যা উত্তোলন ও পরিশোধনে অন্যান্য তেলের তুলনায় বেশি যত্নশীল হওয়ার প্রয়োজন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করার পর যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির তেল বিক্রি শুরু করেছে। ইতোমধ্যে প্রথম চালানের তেল বিক্রি হয়েছে ৫০ কোটি ডলারে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪ জানুয়ারি ভোরে কারাকাসে মার্কিন সেনাবাহিনী মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে এবং বর্তমানে তারা নিউইয়র্ক সিটির ফেডারেল কারাগারে বন্দি আছেন। মার্কিন প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মাদক সরবরাহের অভিযোগে তাদের বিচার হবে।
মাদুরো দম্পতিকে অপহরণের তিন দিন পর, ৭ জানুয়ারি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার তেল যুক্তরাষ্ট্রে আনার ঘোষণা দেন। তিনি জানান, প্রথম চালান হিসেবে ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল তেল আসছে, যা বিক্রি হয়ে গেছে ৫০ কোটি ডলারে।
এরপর ৯ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে মার্কিন তেল কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। বৈঠকের পর তিনি ঘোষণা দেন, ভেনেজুয়েলার তেল খাতে অচিরেই অন্তত ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আসবে। তবে বেশিরভাগ কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তা ট্রাম্পের প্রত্যাশাকে কার্যত অস্বীকার করেন। অ্যাক্সন মোবিলের শীর্ষ নির্বাহী ড্যারেন উডস বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার তেল খাতে বিনিয়োগ সম্ভব নয়, কারণ সেখানে অনেক আইনগত ও বাণিজ্যিক ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করতে হবে।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে তেলসমৃদ্ধ দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য সংস্থা ইউএস এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইআইএ) অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার খনিতে কমপক্ষে ৩০ হাজার ৩০০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল মজুত আছে। বিশ্বের মোট তেলের এক পঞ্চমাংশ এই দেশেই রয়েছে।
তবে এত বড় মজুত থাকা সত্ত্বেও ভেনেজুয়েলার দৈনিক তেলের উৎপাদন খুবই কম; প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১০ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে দেশটি। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিদিন সরবরাহ হওয়া অপরিশোধিত তেলের মাত্র ০.৮ শতাংশ আসে ভেনেজুয়েলা থেকে। ভেনেজুয়েলার তেল ভারী ও ঘন, যা উত্তোলন ও পরিশোধনে অন্যান্য তেলের তুলনায় বেশি যত্নশীল হওয়ার প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন