ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশ হতে পারে: বিশ্বব্যাংক


নিজস্ব প্রতিবেদক :
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশ হতে পারে: বিশ্বব্যাংক
চিত্র : সংগৃহীত

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। তবে সংস্থার মতে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারে এবং ৬.১ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস’ জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, মানুষের ভোগ ব্যয় বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির চাপ কমার কারণে অর্থনীতির গতি ধীরে ধীরে ফিরবে। পাশাপাশি ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমে নতুন সরকার কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের শিল্প খাত আরও শক্তিশালী হবে।

তবে প্রতিবেদনে কিছু ঝুঁকির কথাও বলা হয়েছে। মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি থাকায় ঋণের প্রবাহ কমে যাচ্ছে, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক আরোপের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন চ্যালেঞ্জ দেখা দিতে পারে। তবে সরকারি খরচ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বাড়ালে এসব চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে মনে করছে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে ভুটানে (৭.৩%), ভারতের প্রবৃদ্ধি ৬.৫%, বাংলাদেশ ৪.৬%, মালদ্বীপ ৩.৯%, শ্রীলঙ্কা ৩.৫% এবং নেপাল ২.১%। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে তথ্য প্রতিবেদন দেয়নি।

এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৫ শতাংশ হিসেবে প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ২.৫৮ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংক আশা করছে, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে ২.৬ শতাংশে দাঁড়াবে এবং ২০২৭ সালে তা ২.৭ শতাংশে পৌঁছাবে। একই সময়ে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি কমে ২.৬ শতাংশে নেমে আসবে। সংস্থাটি আগামী দশকে প্রায় ১২০ কোটি তরুণ কর্মক্ষম বয়সে প্রবেশ করবে বলে উল্লেখ করে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল ও মানব পুঁজি উন্নয়ন এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশ হতে পারে: বিশ্বব্যাংক

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। তবে সংস্থার মতে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারে এবং ৬.১ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।


বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস’ জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, মানুষের ভোগ ব্যয় বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির চাপ কমার কারণে অর্থনীতির গতি ধীরে ধীরে ফিরবে। পাশাপাশি ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমে নতুন সরকার কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের শিল্প খাত আরও শক্তিশালী হবে।


তবে প্রতিবেদনে কিছু ঝুঁকির কথাও বলা হয়েছে। মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি থাকায় ঋণের প্রবাহ কমে যাচ্ছে, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক আরোপের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন চ্যালেঞ্জ দেখা দিতে পারে। তবে সরকারি খরচ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বাড়ালে এসব চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে মনে করছে সংস্থাটি।


বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে ভুটানে (৭.৩%), ভারতের প্রবৃদ্ধি ৬.৫%, বাংলাদেশ ৪.৬%, মালদ্বীপ ৩.৯%, শ্রীলঙ্কা ৩.৫% এবং নেপাল ২.১%। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে তথ্য প্রতিবেদন দেয়নি।


এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৫ শতাংশ হিসেবে প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ২.৫৮ শতাংশ।


বিশ্বব্যাংক আশা করছে, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে ২.৬ শতাংশে দাঁড়াবে এবং ২০২৭ সালে তা ২.৭ শতাংশে পৌঁছাবে। একই সময়ে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি কমে ২.৬ শতাংশে নেমে আসবে। সংস্থাটি আগামী দশকে প্রায় ১২০ কোটি তরুণ কর্মক্ষম বয়সে প্রবেশ করবে বলে উল্লেখ করে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল ও মানব পুঁজি উন্নয়ন এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ