মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব দেশকে সতর্ক করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর কোনো সামরিক হামলা চালায়, তাহলে ওইসব দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা করা হবে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, তেহরান ইতোমধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কসহ আঞ্চলিক কয়েকটি দেশকে এ বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালালে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে এসব দেশকে আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন তারা যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলা থেকে বিরত রাখার উদ্যোগ নেয়।
এদিকে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে। ইরান সরকার বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানের ফলে বিক্ষোভ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এলেও উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।
এর মধ্যেই ট্রাম্প নতুন করে ইরানের জনগণকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের দেশপ্রেমিক জনগণ যেন আন্দোলন অব্যাহত রাখে এবং জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়। একই সঙ্গে তিনি বিক্ষোভ দমনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর মূল্য দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প আরও জানান, বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে তিনি ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক স্থগিত করেছেন। তার ভাষায়, ইরানে নির্বিচারে গুলি চালানো বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কোনো আলোচনায় বসবেন না। একই পোস্টে তিনি ইরানের জনগণের প্রতি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘ইরানকে আবার মহান করে তুলুন।’
এই পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারির মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব দেশকে সতর্ক করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর কোনো সামরিক হামলা চালায়, তাহলে ওইসব দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা করা হবে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, তেহরান ইতোমধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কসহ আঞ্চলিক কয়েকটি দেশকে এ বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালালে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে এসব দেশকে আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন তারা যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলা থেকে বিরত রাখার উদ্যোগ নেয়।
এদিকে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে। ইরান সরকার বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানের ফলে বিক্ষোভ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এলেও উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।
এর মধ্যেই ট্রাম্প নতুন করে ইরানের জনগণকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের দেশপ্রেমিক জনগণ যেন আন্দোলন অব্যাহত রাখে এবং জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়। একই সঙ্গে তিনি বিক্ষোভ দমনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর মূল্য দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প আরও জানান, বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে তিনি ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক স্থগিত করেছেন। তার ভাষায়, ইরানে নির্বিচারে গুলি চালানো বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কোনো আলোচনায় বসবেন না। একই পোস্টে তিনি ইরানের জনগণের প্রতি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘ইরানকে আবার মহান করে তুলুন।’
এই পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারির মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন