দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকা পিঠের মাংসপেশীকে দুর্বল করে এবং ডিস্কে চাপ বাড়ায়।
এতে লোম্বার (lower back) ব্যথা, ডিস্ক প্রোব্লেম, স্কলিওসিস বা সঠিক পোষ্চার নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
সঠিক সমর্থন ছাড়া বসলে পিঠে আর্ক নষ্ট হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী ব্যথার কারণ হয়।
স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বসলে ঘাড়ে চাপ বাড়ে, পেশী শক্ত হয়ে যায়।
সারভাইকাল (cervical) ব্যথা, কাঁধে টান, এবং হেডেক তৈরি হতে পারে।
দীর্ঘ সময় বসে থাকলে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়, যা রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে।
পায়ের ভেনাস রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়, যার ফলে ফ্ল্যাটফুট, ব্লাড ক্লট বা থ্রম্বোসিসের ঝুঁকি থাকে।
কম সক্রিয় জীবনধারা মানসিক সতেজতাকে হ্রাস করে।
একটানা বসে কাজ করলে স্ট্রেস, অবসাদ, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং মেজাজের সমস্যা হতে পারে।
পিঠ সোজা রেখে, কোমরের নিচে ছোট বালিশ বা লাম্বার সাপোর্ট ব্যবহার করুন।
স্ক্রিন চোখের উচ্চতায় রাখা, যাতে ঘাড় নিচু বা উপরের দিকে ঝুঁকে না থাকে।
পা সম্পূর্ণ মাটিতে রাখা বা ফুটরেস্ট ব্যবহার করা।
প্রতি ৩০–৪৫ মিনিটে অন্তত ৫ মিনিট হাঁটা বা স্ট্রেচ করা।
ব্যাক স্ট্রেচ, কাঁধ ও ঘাড়ের ঘূর্ণন, লেগ স্ট্রেচ—এইগুলো মেরুদণ্ডের চাপ কমায়।
যোগব্যায়াম, পাইলেটস, বা পোষ্টারিয়র চেইন স্ট্রেচ মেরুদণ্ডকে সুস্থ রাখে।
কোমর শক্ত করতে প্ল্যাঙ্ক, সাইড ব্রিজ, এবং হিপ রাইজার কার্যকর।
কাজের সময় ছোট ছোট সেশন বানানো।
দীর্ঘ সময় বসার পরিবর্তে দাঁড়িয়ে কাজ বা চলাফেরা যুক্ত করা।
হেলদি ডায়েট ও পর্যাপ্ত পানি পান করা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকা পিঠের মাংসপেশীকে দুর্বল করে এবং ডিস্কে চাপ বাড়ায়।
এতে লোম্বার (lower back) ব্যথা, ডিস্ক প্রোব্লেম, স্কলিওসিস বা সঠিক পোষ্চার নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
সঠিক সমর্থন ছাড়া বসলে পিঠে আর্ক নষ্ট হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী ব্যথার কারণ হয়।
স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বসলে ঘাড়ে চাপ বাড়ে, পেশী শক্ত হয়ে যায়।
সারভাইকাল (cervical) ব্যথা, কাঁধে টান, এবং হেডেক তৈরি হতে পারে।
দীর্ঘ সময় বসে থাকলে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়, যা রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে।
পায়ের ভেনাস রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়, যার ফলে ফ্ল্যাটফুট, ব্লাড ক্লট বা থ্রম্বোসিসের ঝুঁকি থাকে।
কম সক্রিয় জীবনধারা মানসিক সতেজতাকে হ্রাস করে।
একটানা বসে কাজ করলে স্ট্রেস, অবসাদ, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং মেজাজের সমস্যা হতে পারে।
পিঠ সোজা রেখে, কোমরের নিচে ছোট বালিশ বা লাম্বার সাপোর্ট ব্যবহার করুন।
স্ক্রিন চোখের উচ্চতায় রাখা, যাতে ঘাড় নিচু বা উপরের দিকে ঝুঁকে না থাকে।
পা সম্পূর্ণ মাটিতে রাখা বা ফুটরেস্ট ব্যবহার করা।
প্রতি ৩০–৪৫ মিনিটে অন্তত ৫ মিনিট হাঁটা বা স্ট্রেচ করা।
ব্যাক স্ট্রেচ, কাঁধ ও ঘাড়ের ঘূর্ণন, লেগ স্ট্রেচ—এইগুলো মেরুদণ্ডের চাপ কমায়।
যোগব্যায়াম, পাইলেটস, বা পোষ্টারিয়র চেইন স্ট্রেচ মেরুদণ্ডকে সুস্থ রাখে।
কোমর শক্ত করতে প্ল্যাঙ্ক, সাইড ব্রিজ, এবং হিপ রাইজার কার্যকর।
কাজের সময় ছোট ছোট সেশন বানানো।
দীর্ঘ সময় বসার পরিবর্তে দাঁড়িয়ে কাজ বা চলাফেরা যুক্ত করা।
হেলদি ডায়েট ও পর্যাপ্ত পানি পান করা।

আপনার মতামত লিখুন