খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) কোর্স রেজিস্ট্রেশন ফি কমানোসহ তিন দফা দাবিতে গভীর রাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত গভীর হলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদি চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে মিছিল নিয়ে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন হল, খান বাহাদূর আহছানউল্লা হল ও খান জাহান আলী হল প্রদক্ষিণ করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা।
শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে কোর্স রেজিস্ট্রেশন ফি কমানো, রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা বৃদ্ধি করা এবং ছাত্র প্রতিনিধি সিস্টেম বাতিল করা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, বর্তমানে নির্ধারিত কোর্স রেজিস্ট্রেশন ফি অনেক শিক্ষার্থীর জন্য আর্থিকভাবে চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে স্বল্প সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই রেজিস্ট্রেশন ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। তারা বলেন, এই অতিরিক্ত অর্থ অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে বহন করা কঠিন। পাশাপাশি ছাত্র প্রতিনিধি সিস্টেম চালু হলে ক্যাম্পাসে রাজনীতি প্রবেশ করবে এবং শিক্ষকদের নির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়নের ঝুঁকি তৈরি হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
খুবির শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল হক রাদ ও তানভীর কবির বলেন, রেজিস্ট্রেশন ফি অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে, যা আমরা মানি না। এক কর্মদিবসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি আগের মতো করতে হবে, রেজিস্ট্রেশন সময়সীমা বাড়াতে হবে এবং ডিসিপ্লিন প্রতিনিধি ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।
এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রেজিস্ট্রেশন ফি বৃদ্ধি করা হয়নি। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. এস. এম. মাহবুবুর রহমান বলেন, রেজিস্ট্রেশন ফি বাড়ানো হয়নি।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, টেকনিক্যাল কারণে কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো রেজিস্ট্রেশন ফি বৃদ্ধি করা হয়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) কোর্স রেজিস্ট্রেশন ফি কমানোসহ তিন দফা দাবিতে গভীর রাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত গভীর হলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদি চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে মিছিল নিয়ে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন হল, খান বাহাদূর আহছানউল্লা হল ও খান জাহান আলী হল প্রদক্ষিণ করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা।
শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে কোর্স রেজিস্ট্রেশন ফি কমানো, রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা বৃদ্ধি করা এবং ছাত্র প্রতিনিধি সিস্টেম বাতিল করা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, বর্তমানে নির্ধারিত কোর্স রেজিস্ট্রেশন ফি অনেক শিক্ষার্থীর জন্য আর্থিকভাবে চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে স্বল্প সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই রেজিস্ট্রেশন ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। তারা বলেন, এই অতিরিক্ত অর্থ অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে বহন করা কঠিন। পাশাপাশি ছাত্র প্রতিনিধি সিস্টেম চালু হলে ক্যাম্পাসে রাজনীতি প্রবেশ করবে এবং শিক্ষকদের নির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়নের ঝুঁকি তৈরি হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
খুবির শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল হক রাদ ও তানভীর কবির বলেন, রেজিস্ট্রেশন ফি অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে, যা আমরা মানি না। এক কর্মদিবসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি আগের মতো করতে হবে, রেজিস্ট্রেশন সময়সীমা বাড়াতে হবে এবং ডিসিপ্লিন প্রতিনিধি ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।
এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রেজিস্ট্রেশন ফি বৃদ্ধি করা হয়নি। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. এস. এম. মাহবুবুর রহমান বলেন, রেজিস্ট্রেশন ফি বাড়ানো হয়নি।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, টেকনিক্যাল কারণে কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো রেজিস্ট্রেশন ফি বৃদ্ধি করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন