ময়মনসিংহে মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর থানায় নেওয়ার সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হাতকড়াসহ আরিফুল ইসলাম (২৫) নামে ওই আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তার সহযোগীরা। হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল চারটার দিকে নগরীর দিগারকান্দা ফিশারি মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে ঘটনাস্থলে র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা টহল দেন।
পুলিশ জানায়, হামলার ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে আসামির বাবা সাগর আলীকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে আরিফুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা স্থানীয় রাসেল নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আহত রাসেল বর্তমানে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমদের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি পুলিশ দল দিগারকান্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। তাকে থানায় নেওয়ার সময় তার বাবা সাগর আলীর নেতৃত্বে কয়েকশ লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়।
একপর্যায়ে হামলাকারীরা পুলিশ সদস্যদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে এবং হাতকড়াসহ আরিফুল ইসলামকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এসআই ফরিদ আহমেদ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে জানান, হামলায় আহত এক এএসআই ও তিন কনস্টেবলসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ওসি মো. নাজমুস সাকিব বলেন, কর্তব্যরত পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ছিনিয়ে নেওয়া আসামিসহ হামলায় অংশ নেওয়া সবাইকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহে মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর থানায় নেওয়ার সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হাতকড়াসহ আরিফুল ইসলাম (২৫) নামে ওই আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তার সহযোগীরা। হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল চারটার দিকে নগরীর দিগারকান্দা ফিশারি মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে ঘটনাস্থলে র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা টহল দেন।
পুলিশ জানায়, হামলার ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে আসামির বাবা সাগর আলীকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে আরিফুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা স্থানীয় রাসেল নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আহত রাসেল বর্তমানে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমদের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি পুলিশ দল দিগারকান্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। তাকে থানায় নেওয়ার সময় তার বাবা সাগর আলীর নেতৃত্বে কয়েকশ লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়।
একপর্যায়ে হামলাকারীরা পুলিশ সদস্যদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে এবং হাতকড়াসহ আরিফুল ইসলামকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এসআই ফরিদ আহমেদ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে জানান, হামলায় আহত এক এএসআই ও তিন কনস্টেবলসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ওসি মো. নাজমুস সাকিব বলেন, কর্তব্যরত পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ছিনিয়ে নেওয়া আসামিসহ হামলায় অংশ নেওয়া সবাইকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন