চোখের নিচে কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল অনেক মানুষের জন্যই পরিচিত সমস্যা। অনেকেই ধারণা করেন যে এটি লিভারের সমস্যা নির্দেশ করে। তবে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র চোখের নিচের দাগ দেখে লিভারের রোগ নির্ণয় করা সম্ভব নয়।
বিশেষজ্ঞরা জানান, চোখের নিচের ডার্ক সার্কেলের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ঘুমের অভাব, ক্লান্তি, মানসিক চাপ, পর্যাপ্ত পানি পান না করা, অতিরিক্ত স্ক্রিন‑টাইম এবং পুষ্টির ঘাটতি। এছাড়া বংশগত কারণ বা ত্বকের পিগমেন্টেশনও চোখের নিচের দাগকে দৃশ্যমান করে। সাধারণভাবে এই ধরনের ডার্ক সার্কেল জীবনধারা ঠিক করলে কমানো সম্ভব।
তবে লিভারের সমস্যার সঙ্গে ডার্ক সার্কেলের সম্পর্ক হতে পারে, যদি এটি অন্যান্য গুরুতর উপসর্গের সঙ্গে মিলিত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, মুখ বা ত্বক ফ্যাকাশে হওয়া, দীর্ঘদিনের ক্লান্তি, চোখ বা ত্বকের হলুদাভ হওয়া (জন্ডিস), পেটে জল জমা বা ফুলে যাওয়া, বমি বা ক্ষুধামন্দা এবং রক্ত পরীক্ষায় লিভার এনজাইমের অস্বাভাবিকতা থাকলে তা লিভারের সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, লিভার ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে টক্সিন জমে যায়, যা ত্বককে ফ্যাকাশে ও ক্লান্ত দেখায় এবং চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল তৈরি করতে পারে। তবে সাধারণ ক্লান্তি বা ঘুমের অভাবের কারণে ডার্ক সার্কেল এবং লিভারের সমস্যার কারণে দেখা ডার্ক সার্কেলকে আলাদা করে শনাক্ত করতে রক্ত পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।
চিকিৎসকরা মনে করান, চোখের নিচের দাগ থাকলেও ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাদ্য, পর্যাপ্ত পানি পান ও মানসিক চাপ কমানোর মাধ্যমে এটি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। তবে যদি দীর্ঘদিন ধরে ডার্ক সার্কেল থেকে যায় বা গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
চোখের নিচে কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল অনেক মানুষের জন্যই পরিচিত সমস্যা। অনেকেই ধারণা করেন যে এটি লিভারের সমস্যা নির্দেশ করে। তবে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র চোখের নিচের দাগ দেখে লিভারের রোগ নির্ণয় করা সম্ভব নয়।
বিশেষজ্ঞরা জানান, চোখের নিচের ডার্ক সার্কেলের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ঘুমের অভাব, ক্লান্তি, মানসিক চাপ, পর্যাপ্ত পানি পান না করা, অতিরিক্ত স্ক্রিন‑টাইম এবং পুষ্টির ঘাটতি। এছাড়া বংশগত কারণ বা ত্বকের পিগমেন্টেশনও চোখের নিচের দাগকে দৃশ্যমান করে। সাধারণভাবে এই ধরনের ডার্ক সার্কেল জীবনধারা ঠিক করলে কমানো সম্ভব।
তবে লিভারের সমস্যার সঙ্গে ডার্ক সার্কেলের সম্পর্ক হতে পারে, যদি এটি অন্যান্য গুরুতর উপসর্গের সঙ্গে মিলিত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, মুখ বা ত্বক ফ্যাকাশে হওয়া, দীর্ঘদিনের ক্লান্তি, চোখ বা ত্বকের হলুদাভ হওয়া (জন্ডিস), পেটে জল জমা বা ফুলে যাওয়া, বমি বা ক্ষুধামন্দা এবং রক্ত পরীক্ষায় লিভার এনজাইমের অস্বাভাবিকতা থাকলে তা লিভারের সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, লিভার ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে টক্সিন জমে যায়, যা ত্বককে ফ্যাকাশে ও ক্লান্ত দেখায় এবং চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল তৈরি করতে পারে। তবে সাধারণ ক্লান্তি বা ঘুমের অভাবের কারণে ডার্ক সার্কেল এবং লিভারের সমস্যার কারণে দেখা ডার্ক সার্কেলকে আলাদা করে শনাক্ত করতে রক্ত পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।
চিকিৎসকরা মনে করান, চোখের নিচের দাগ থাকলেও ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাদ্য, পর্যাপ্ত পানি পান ও মানসিক চাপ কমানোর মাধ্যমে এটি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। তবে যদি দীর্ঘদিন ধরে ডার্ক সার্কেল থেকে যায় বা গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন