ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোর থেকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলে।
স্থানীয়রা জানান, ওই গ্রামের হাবিবুর রহমান তালুকদার পক্ষ ও কবির খান পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা চলে আসছিল। দুই দিন আগে একই বিরোধের জেরে কবির খানের সমর্থক শহীদ খানকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, ঢাল ও সড়কি হাতে নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ একে অপরকে ধাওয়া করে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। সকাল ১০টা পর্যন্ত চলা এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আলিম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে এলাকা স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে সরইবাড়ি গ্রামে আতঙ্ক ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোর থেকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলে।
স্থানীয়রা জানান, ওই গ্রামের হাবিবুর রহমান তালুকদার পক্ষ ও কবির খান পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা চলে আসছিল। দুই দিন আগে একই বিরোধের জেরে কবির খানের সমর্থক শহীদ খানকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, ঢাল ও সড়কি হাতে নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ একে অপরকে ধাওয়া করে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। সকাল ১০টা পর্যন্ত চলা এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আলিম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে এলাকা স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে সরইবাড়ি গ্রামে আতঙ্ক ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন