ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে দেশজুড়ে ইন্টারনেট শাটডাউন ৮৪ ঘণ্টা ছাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থা নেটব্লকস (NetBlocks) জানিয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ কার্যত এক শতাংশে নেমে এসেছে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ ইতোমধ্যে ১২তম দিনে প্রবেশ করেছে।
রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড বাজার থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে দেশের ৩১টি প্রদেশের অন্তত ১১০টি শহরে। অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বিক্ষোভ দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, চলমান সহিংসতায় এ পর্যন্ত শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।
দীর্ঘ সময় ধরে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট থাকায় ইরানের নাগরিকরা কার্যত বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প যোগাযোগের উপায় হিসেবে সীমান্তবর্তী মোবাইল নেটওয়ার্ক, স্যাটেলাইট ফোন এবং স্টারলিংক ব্যবহারের তথ্যও সামনে এসেছে।
আন্তর্জাতিক মহল ইরানের এই ইন্টারনেট শাটডাউনকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে। এতে কূটনৈতিক চাপ বাড়ছে এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে দেশজুড়ে ইন্টারনেট শাটডাউন ৮৪ ঘণ্টা ছাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থা নেটব্লকস (NetBlocks) জানিয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ কার্যত এক শতাংশে নেমে এসেছে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ ইতোমধ্যে ১২তম দিনে প্রবেশ করেছে।
রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড বাজার থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে দেশের ৩১টি প্রদেশের অন্তত ১১০টি শহরে। অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বিক্ষোভ দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, চলমান সহিংসতায় এ পর্যন্ত শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।
দীর্ঘ সময় ধরে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট থাকায় ইরানের নাগরিকরা কার্যত বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প যোগাযোগের উপায় হিসেবে সীমান্তবর্তী মোবাইল নেটওয়ার্ক, স্যাটেলাইট ফোন এবং স্টারলিংক ব্যবহারের তথ্যও সামনে এসেছে।
আন্তর্জাতিক মহল ইরানের এই ইন্টারনেট শাটডাউনকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে। এতে কূটনৈতিক চাপ বাড়ছে এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন