ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ‘বিদেশি হস্তক্ষেপের’ কারণে দেশের বিক্ষোভ ইতিমধ্যেই ‘সন্ত্রাসী যুদ্ধে’ রূপ নিয়েছে। তবে বর্তমানে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
আজ সোমবার রাজধানী তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে আরাগচি বলেন, “ইরানে যা হচ্ছে, তা আর বিক্ষোভ নয়— এটি সন্ত্রাসী যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভের আড়ালে সন্ত্রাসীরা নাশকতা চালাচ্ছে, সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করছে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এই সন্ত্রাসীদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে দেশের বাইরে থেকে। এমন বেশ কয়েকটি অডিও ক্লিপ আমাদের হাতে এসেছে, যেখানে নাশকতা চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
আরাগচি আরও বলেন, “সরকার ও সামরিক বাহিনী সবসময়ই তৎপর। সন্ত্রাসীরা কখনও জিততে পারবে না। সার্বিক পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।” তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি দায়ী করে বলেন, “মূলত ট্রাম্পের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে বিদেশি সন্ত্রাসীরা উৎসাহী হয়েছে। যুদ্ধ কিংবা সংলাপ— যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনো কিছুর জন্য আমরা প্রস্তুত।”
গত দু’সপ্তাহ ধরে ইরানে ব্যাপক আকারের সরকারবিরোধী আন্দোলন চলছে। অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদী অবমূল্যায়ন ও মূল্যস্ফীতির কারণে ইরানি রিয়েলের মান ডলারের বিপরীতে আজ ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৫৫। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসাসহ মৌলিক চাহিদা মেটাতে সাধারণ জনগণ রীতিমতো হিমসিম খাচ্ছেন।
এই পরিস্থিতিতে ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের বিভিন্ন বাজারের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের ডাক দেন। সেই ধর্মঘট থেকেই বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের ৩১টি প্রদেশের প্রায় সব শহর ও গ্রামে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং দিন দিন এর তীব্রতা বেড়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিক্ষোভের পক্ষে দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরানের সরকার বিক্ষোভ দমনের জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিলে সামরিক অভিযানও সম্ভব।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রবিবার দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং জনগণের কথা শোনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ‘বিদেশি হস্তক্ষেপের’ কারণে দেশের বিক্ষোভ ইতিমধ্যেই ‘সন্ত্রাসী যুদ্ধে’ রূপ নিয়েছে। তবে বর্তমানে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
আজ সোমবার রাজধানী তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে আরাগচি বলেন, “ইরানে যা হচ্ছে, তা আর বিক্ষোভ নয়— এটি সন্ত্রাসী যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভের আড়ালে সন্ত্রাসীরা নাশকতা চালাচ্ছে, সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করছে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এই সন্ত্রাসীদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে দেশের বাইরে থেকে। এমন বেশ কয়েকটি অডিও ক্লিপ আমাদের হাতে এসেছে, যেখানে নাশকতা চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
আরাগচি আরও বলেন, “সরকার ও সামরিক বাহিনী সবসময়ই তৎপর। সন্ত্রাসীরা কখনও জিততে পারবে না। সার্বিক পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।” তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি দায়ী করে বলেন, “মূলত ট্রাম্পের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে বিদেশি সন্ত্রাসীরা উৎসাহী হয়েছে। যুদ্ধ কিংবা সংলাপ— যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনো কিছুর জন্য আমরা প্রস্তুত।”
গত দু’সপ্তাহ ধরে ইরানে ব্যাপক আকারের সরকারবিরোধী আন্দোলন চলছে। অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদী অবমূল্যায়ন ও মূল্যস্ফীতির কারণে ইরানি রিয়েলের মান ডলারের বিপরীতে আজ ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৫৫। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসাসহ মৌলিক চাহিদা মেটাতে সাধারণ জনগণ রীতিমতো হিমসিম খাচ্ছেন।
এই পরিস্থিতিতে ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের বিভিন্ন বাজারের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের ডাক দেন। সেই ধর্মঘট থেকেই বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের ৩১টি প্রদেশের প্রায় সব শহর ও গ্রামে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং দিন দিন এর তীব্রতা বেড়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিক্ষোভের পক্ষে দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরানের সরকার বিক্ষোভ দমনের জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিলে সামরিক অভিযানও সম্ভব।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রবিবার দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং জনগণের কথা শোনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন