ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

কাশ্মীরে পাকিস্তান থেকে ‘রহস্যময়’ ড্রোন ঢোকার দাবি ভারতের


নিজস্ব প্রতিবেদক :
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬

কাশ্মীরে পাকিস্তান থেকে ‘রহস্যময়’ ড্রোন ঢোকার দাবি ভারতের

পাকিস্তান থেকে ভারতশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে একাধিক ‘রহস্যময়’ ড্রোন প্রবেশ করেছে বলে দাবি করেছে ভারত। রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কাশ্মীর উপত্যকার আকাশে পরপর চারটি ড্রোন দেখা গেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী।

ভারতের দাবি অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিট থেকে ৭টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রায় ৫০ মিনিটের ব্যবধানে কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় এসব সন্দেহজনক ড্রোন উড়তে দেখা যায়। প্রথম ড্রোনটি দেখা যায় পুঞ্চ জেলার মানকোট সেক্টরে, যা পাকিস্তানের দিক থেকে আসছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে রাজৌরি জেলার খাব্বার গ্রামে দ্বিতীয় ড্রোনটি দেখা যায়। একই সময়ে কালাকোট থেকে উধমপুরের ভারাখ এলাকার দিকে একটি রহস্যময় আলো দেখা যায়, যা কিছুক্ষণ জ্বলে নিভে যায়। এরপর রাজৌরির নৌসেরা সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আরেকটি ড্রোন দেখতে পান নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, এ সময় সেনারা মেশিনগান দিয়ে ড্রোন লক্ষ্য করে গুলি চালান।

শেষ ড্রোনটি সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে সাম্বা জেলার রামগড় সেক্টরের চক বাব্রাল গ্রামে দেখা যায়। স্থানীয়দের দাবি, ড্রোনটি কয়েক মিনিট ধরে গ্রামের ওপর ঘোরাফেরা করছিল।

ড্রোনের এই ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে স্যাটেলাইট ফোনের একটি সংকেত। ভারতের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, ড্রোন দেখার আগের রাতে, শনিবার গভীর রাতে কানাচক থানা এলাকায় একটি স্যাটেলাইট ফোনের সংকেত পাওয়া গেছে। এলাকাটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে এবং জম্মু শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।

ভারতের আশঙ্কা, এই স্যাটেলাইট ফোন সংকেত এবং ড্রোন তৎপরতা বড় ধরনের কোনো নাশকতার পরিকল্পনার ইঙ্গিত হতে পারে। পাকিস্তানের দিক থেকে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

এ ঘটনার পর জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, বিএসএফ, ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বিশেষ অভিযানে নিয়োজিত এসওজি যৌথভাবে তল্লাশি ও অভিযান শুরু করেছে। নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যেকোনো সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


কাশ্মীরে পাকিস্তান থেকে ‘রহস্যময়’ ড্রোন ঢোকার দাবি ভারতের

প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

পাকিস্তান থেকে ভারতশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে একাধিক ‘রহস্যময়’ ড্রোন প্রবেশ করেছে বলে দাবি করেছে ভারত। রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কাশ্মীর উপত্যকার আকাশে পরপর চারটি ড্রোন দেখা গেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী।


ভারতের দাবি অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিট থেকে ৭টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রায় ৫০ মিনিটের ব্যবধানে কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় এসব সন্দেহজনক ড্রোন উড়তে দেখা যায়। প্রথম ড্রোনটি দেখা যায় পুঞ্চ জেলার মানকোট সেক্টরে, যা পাকিস্তানের দিক থেকে আসছিল বলে দাবি করা হয়েছে।


সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে রাজৌরি জেলার খাব্বার গ্রামে দ্বিতীয় ড্রোনটি দেখা যায়। একই সময়ে কালাকোট থেকে উধমপুরের ভারাখ এলাকার দিকে একটি রহস্যময় আলো দেখা যায়, যা কিছুক্ষণ জ্বলে নিভে যায়। এরপর রাজৌরির নৌসেরা সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আরেকটি ড্রোন দেখতে পান নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, এ সময় সেনারা মেশিনগান দিয়ে ড্রোন লক্ষ্য করে গুলি চালান।


শেষ ড্রোনটি সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে সাম্বা জেলার রামগড় সেক্টরের চক বাব্রাল গ্রামে দেখা যায়। স্থানীয়দের দাবি, ড্রোনটি কয়েক মিনিট ধরে গ্রামের ওপর ঘোরাফেরা করছিল।


ড্রোনের এই ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে স্যাটেলাইট ফোনের একটি সংকেত। ভারতের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, ড্রোন দেখার আগের রাতে, শনিবার গভীর রাতে কানাচক থানা এলাকায় একটি স্যাটেলাইট ফোনের সংকেত পাওয়া গেছে। এলাকাটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে এবং জম্মু শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।


ভারতের আশঙ্কা, এই স্যাটেলাইট ফোন সংকেত এবং ড্রোন তৎপরতা বড় ধরনের কোনো নাশকতার পরিকল্পনার ইঙ্গিত হতে পারে। পাকিস্তানের দিক থেকে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।


এ ঘটনার পর জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, বিএসএফ, ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বিশেষ অভিযানে নিয়োজিত এসওজি যৌথভাবে তল্লাশি ও অভিযান শুরু করেছে। নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।


ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যেকোনো সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ