ভেজাল খাদ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে বগুড়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে একটি ভেজাল গুড় তৈরির কারখানায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ উপাদান মিশ্রিত প্রায় ৫০ কেজি গুড় জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
সোমবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বগুড়া সদর উপজেলার ফাপোড় ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে মোজাম্মেল মিয়া নামের এক ব্যবসায়ীর তৈরি গুড়ে নিষিদ্ধ রাসায়নিক হাইড্রোজ এবং খেজুরের রসের সঙ্গে চিনি মেশানোর প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় দেখা যায়, সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গুড় তৈরি ও সংরক্ষণ করা হচ্ছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
এ ঘটনায় রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাসিন্দা মোজাম্মেল মিয়াকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি হাইড্রোজ ও চিনি মিশ্রিত আনুমানিক ৫০ কেজি ভেজাল গুড় জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
এ ছাড়া অভিযুক্ত ব্যবসায়ী ভবিষ্যতে ভেজাল ও ক্ষতিকর খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনে জড়িত হবেন না মর্মে লিখিত অঙ্গীকার করেন।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বগুড়ার কম্পিউটার অপারেটর আব্দুল কাদের ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নমুনা সংগ্রহকারী শরিফুল ইসলাম। অভিযানে সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বগুড়ার সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান জানান, জনস্বার্থে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে। জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ভেজাল খাদ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে বগুড়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে একটি ভেজাল গুড় তৈরির কারখানায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ উপাদান মিশ্রিত প্রায় ৫০ কেজি গুড় জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
সোমবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বগুড়া সদর উপজেলার ফাপোড় ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে মোজাম্মেল মিয়া নামের এক ব্যবসায়ীর তৈরি গুড়ে নিষিদ্ধ রাসায়নিক হাইড্রোজ এবং খেজুরের রসের সঙ্গে চিনি মেশানোর প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় দেখা যায়, সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গুড় তৈরি ও সংরক্ষণ করা হচ্ছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
এ ঘটনায় রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাসিন্দা মোজাম্মেল মিয়াকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি হাইড্রোজ ও চিনি মিশ্রিত আনুমানিক ৫০ কেজি ভেজাল গুড় জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
এ ছাড়া অভিযুক্ত ব্যবসায়ী ভবিষ্যতে ভেজাল ও ক্ষতিকর খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনে জড়িত হবেন না মর্মে লিখিত অঙ্গীকার করেন।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বগুড়ার কম্পিউটার অপারেটর আব্দুল কাদের ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নমুনা সংগ্রহকারী শরিফুল ইসলাম। অভিযানে সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বগুড়ার সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান জানান, জনস্বার্থে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে। জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন