ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নেমেছে দেশটির প্রভাবশালী নিরাপত্তা বাহিনী বিপ্লবী গার্ড (ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস—আইআরজিসি)। বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের নিরাপত্তা তাদের জন্য ‘লাল রেখা’ এবং জনসম্পদ ও কৌশলগত স্থাপনা রক্ষায় সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করা হবে।
ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুতই রাজধানী তেহরান ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে। হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে সরকারের পতনের দাবি জানায়। শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকলেও কিছু এলাকায় গাড়ি পোড়ানো, সরকারি স্থাপনায় হামলা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ পরিস্থিতিতে দেশটির সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিক্ষোভকারীদের ‘বিদেশি শক্তির ভাড়াটে’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে।
একইসঙ্গে ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল আন্দোলনকারীদের কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, যারা এই বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন, তাদের ‘শত্রু-ঈশ্বর’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ইরানি আইনে এটি একটি গুরুতর অপরাধ, যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এই বিক্ষোভ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জনগণের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।
এদিকে ইরানের সাবেক রাজতন্ত্রের উত্তরসূরি ও প্রবাসী নেতা রেজা পাহলভি বিক্ষোভকারীদের আরও কয়েক রাত ধরে রাজপথে অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, চলমান আন্দোলন ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নেমেছে দেশটির প্রভাবশালী নিরাপত্তা বাহিনী বিপ্লবী গার্ড (ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস—আইআরজিসি)। বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের নিরাপত্তা তাদের জন্য ‘লাল রেখা’ এবং জনসম্পদ ও কৌশলগত স্থাপনা রক্ষায় সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করা হবে।
ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুতই রাজধানী তেহরান ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে। হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে সরকারের পতনের দাবি জানায়। শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকলেও কিছু এলাকায় গাড়ি পোড়ানো, সরকারি স্থাপনায় হামলা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ পরিস্থিতিতে দেশটির সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিক্ষোভকারীদের ‘বিদেশি শক্তির ভাড়াটে’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে।
একইসঙ্গে ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল আন্দোলনকারীদের কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, যারা এই বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন, তাদের ‘শত্রু-ঈশ্বর’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ইরানি আইনে এটি একটি গুরুতর অপরাধ, যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এই বিক্ষোভ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জনগণের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।
এদিকে ইরানের সাবেক রাজতন্ত্রের উত্তরসূরি ও প্রবাসী নেতা রেজা পাহলভি বিক্ষোভকারীদের আরও কয়েক রাত ধরে রাজপথে অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, চলমান আন্দোলন ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন