সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) মনে করছে, নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি। রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা ছাড়া এই দুই ক্ষেত্র এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
সিপিডি তাদের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে জানিয়েছে, দেশি–বিদেশি বিনিয়োগে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করছে। এর ফলে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠান সুত্র জানিয়েছে, বিনিয়োগের স্থবিরতা শুধু শিল্প খাতেই নয়, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি ও সেবা খাতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় যেতে সাহস পাচ্ছেন না। একই সঙ্গে দেশি উদ্যোক্তারা নতুন প্রকল্প হাতে নিতে দ্বিধায় ভুগছেন।
শ্রমবাজারেও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়নি। তরুণ প্রজন্ম বেকারত্বের চাপের মুখে পড়ছে। সিপিডি মনে করে, কর্মসংস্থান না বাড়লে সামাজিক চাপ ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা আরও তীব্র হবে। বিশেষ করে শিক্ষিত তরুণদের জন্য চাকরির সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে, যা ভবিষ্যতে সামাজিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে।
সিপিডি আরও বলছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে আরও কঠিন করে তুলছে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, ফলে বাজারে চাহিদা কমছে। চাহিদা কমে গেলে উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হারান। এভাবে একটি চক্র তৈরি হচ্ছে, যা অর্থনীতিকে স্থবির করে দিচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) মনে করছে, নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি। রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা ছাড়া এই দুই ক্ষেত্র এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
সিপিডি তাদের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে জানিয়েছে, দেশি–বিদেশি বিনিয়োগে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করছে। এর ফলে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠান সুত্র জানিয়েছে, বিনিয়োগের স্থবিরতা শুধু শিল্প খাতেই নয়, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি ও সেবা খাতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় যেতে সাহস পাচ্ছেন না। একই সঙ্গে দেশি উদ্যোক্তারা নতুন প্রকল্প হাতে নিতে দ্বিধায় ভুগছেন।
শ্রমবাজারেও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়নি। তরুণ প্রজন্ম বেকারত্বের চাপের মুখে পড়ছে। সিপিডি মনে করে, কর্মসংস্থান না বাড়লে সামাজিক চাপ ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা আরও তীব্র হবে। বিশেষ করে শিক্ষিত তরুণদের জন্য চাকরির সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে, যা ভবিষ্যতে সামাজিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে।
সিপিডি আরও বলছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে আরও কঠিন করে তুলছে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, ফলে বাজারে চাহিদা কমছে। চাহিদা কমে গেলে উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হারান। এভাবে একটি চক্র তৈরি হচ্ছে, যা অর্থনীতিকে স্থবির করে দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন