বাংলাদেশ ও জার্মান সরকারের মধ্যে বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে জার্মান সরকার বাংলাদেশকে মোট ২১.৭৭ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি প্রায় ২৭০ কোটি টাকা) অনুদান দেবে।
অনুদান চুক্তি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, এবং জার্মান সরকারের পক্ষে জিআইজেড (GIZ) ঢাকা অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেনরিখ‑জুর্গেন শিলিং স্বাক্ষর করেন। স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় মোট পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে, যা দেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশ‑সম্পর্কিত ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করবে।
জার্মান অনুদানটি মূলত জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নগর ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক উন্নয়ন খাতে কাজে লাগানো হবে। এতে বাংলাদেশি নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বছরের এই অনুদান জার্মান সরকারের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন সহযোগিতার অংশ, যেখানে দুই দেশ নিয়মিতভাবেই বিভিন্ন খাতে অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বিনিময় করছে। জিআইজেডের মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহের উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি, দুর্বল জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা উন্নয়ন, এবং পরিবেশ‑বান্ধব প্রযুক্তি ও সামাজিক সহায়তা কার্যক্রমকে জোরদার করা।
২১.৭৭ মিলিয়ন ইউরো অনুদানের মধ্যে প্রত্যেক প্রকল্পের লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন সময়সীমা ভিন্ন, এবং এসব প্রকল্প ধাপে ধাপে আগামী বছরগুলোতে কার্যকর হবে। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি দক্ষতা ও নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কিত নীতি‑পরামর্শ কার্যক্রম, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কারিগরি ও পরিবেশগত নিরাপত্তা শিক্ষা, পরিবেশবান্ধব শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং এশিয়ায় ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের উদ্যোগ।
ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী অনুষ্ঠানে বলেন, জার্মান সরকারের দেয়া অনুদান বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় সহায়তা করবে এবং বিভিন্ন খাতে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জার্মান সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
জার্মানি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে কাজ করছে। এর আওতায় জলবায়ু অভিযোজন, নগর উন্নয়ন, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে আগেও জোরদার অনুদান ও প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। স্বাক্ষরিত নতুন অনুদানগুলোর মাধ্যমে ঢাকা ও অন্যান্য জেলা‑উপজেলায় আওতাভুক্ত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে আরও সুফল আশা করা যাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ ও জার্মান সরকারের মধ্যে বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে জার্মান সরকার বাংলাদেশকে মোট ২১.৭৭ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি প্রায় ২৭০ কোটি টাকা) অনুদান দেবে।
অনুদান চুক্তি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, এবং জার্মান সরকারের পক্ষে জিআইজেড (GIZ) ঢাকা অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেনরিখ‑জুর্গেন শিলিং স্বাক্ষর করেন। স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় মোট পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে, যা দেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশ‑সম্পর্কিত ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করবে।
জার্মান অনুদানটি মূলত জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নগর ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক উন্নয়ন খাতে কাজে লাগানো হবে। এতে বাংলাদেশি নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বছরের এই অনুদান জার্মান সরকারের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন সহযোগিতার অংশ, যেখানে দুই দেশ নিয়মিতভাবেই বিভিন্ন খাতে অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বিনিময় করছে। জিআইজেডের মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহের উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি, দুর্বল জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা উন্নয়ন, এবং পরিবেশ‑বান্ধব প্রযুক্তি ও সামাজিক সহায়তা কার্যক্রমকে জোরদার করা।
২১.৭৭ মিলিয়ন ইউরো অনুদানের মধ্যে প্রত্যেক প্রকল্পের লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন সময়সীমা ভিন্ন, এবং এসব প্রকল্প ধাপে ধাপে আগামী বছরগুলোতে কার্যকর হবে। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি দক্ষতা ও নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পর্কিত নীতি‑পরামর্শ কার্যক্রম, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কারিগরি ও পরিবেশগত নিরাপত্তা শিক্ষা, পরিবেশবান্ধব শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং এশিয়ায় ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের উদ্যোগ।
ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী অনুষ্ঠানে বলেন, জার্মান সরকারের দেয়া অনুদান বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় সহায়তা করবে এবং বিভিন্ন খাতে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জার্মান সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
জার্মানি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে কাজ করছে। এর আওতায় জলবায়ু অভিযোজন, নগর উন্নয়ন, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে আগেও জোরদার অনুদান ও প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। স্বাক্ষরিত নতুন অনুদানগুলোর মাধ্যমে ঢাকা ও অন্যান্য জেলা‑উপজেলায় আওতাভুক্ত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে আরও সুফল আশা করা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন