রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল কেনার অভিযোগে ভারত, চীন ও ব্রাজিলের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবসংবলিত একটি বিলে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য লিন্ডসে গ্রাহাম এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বর্তমানে ভারত ও ব্রাজিলের ওপর ৫০ শতাংশ এবং চীনের ওপর ৩০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক কার্যকর রয়েছে। ‘গ্রাহাম-ব্লুমেন্টাল নিষেধাজ্ঞা বিল’ নামের প্রস্তাবিত এই বিল পাস হলে, যারা জেনেশুনে রাশিয়ান তেল বা ইউরেনিয়াম কিনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের যুদ্ধযন্ত্রে জ্বালানি জুগিয়েছে— এমন দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্ট পাবেন। বিলটির আরেকটি মূল লক্ষ্য হলো রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে আরও দুর্বল করা।
বিবৃতিতে লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, “এটি সঠিক সময়ে পাস হবে। কারণ ইউক্রেন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে, অথচ পুতিন শুধু কথাই বলছেন, আর রাশিয়ার সেনারা এখনও নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছে।” তিনি জানান, আগামী সপ্তাহেই এই বিলের ওপর কংগ্রেসে ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে।
মার্কিন সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী, প্রথমে বিলটি নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে উত্থাপিত হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে তা যাবে উচ্চকক্ষ সিনেটে। সিনেটে পাস হওয়ার পর প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিলটি আইনে পরিণত হবে।
লিন্ডসে গ্রাহাম আরও জানান, বুধবার তিনি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে বিলটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং সেখানে ট্রাম্প এ প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল কেনার অভিযোগে ভারত, চীন ও ব্রাজিলের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবসংবলিত একটি বিলে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য লিন্ডসে গ্রাহাম এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বর্তমানে ভারত ও ব্রাজিলের ওপর ৫০ শতাংশ এবং চীনের ওপর ৩০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক কার্যকর রয়েছে। ‘গ্রাহাম-ব্লুমেন্টাল নিষেধাজ্ঞা বিল’ নামের প্রস্তাবিত এই বিল পাস হলে, যারা জেনেশুনে রাশিয়ান তেল বা ইউরেনিয়াম কিনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের যুদ্ধযন্ত্রে জ্বালানি জুগিয়েছে— এমন দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্ট পাবেন। বিলটির আরেকটি মূল লক্ষ্য হলো রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে আরও দুর্বল করা।
বিবৃতিতে লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, “এটি সঠিক সময়ে পাস হবে। কারণ ইউক্রেন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে, অথচ পুতিন শুধু কথাই বলছেন, আর রাশিয়ার সেনারা এখনও নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছে।” তিনি জানান, আগামী সপ্তাহেই এই বিলের ওপর কংগ্রেসে ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে।
মার্কিন সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী, প্রথমে বিলটি নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে উত্থাপিত হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে তা যাবে উচ্চকক্ষ সিনেটে। সিনেটে পাস হওয়ার পর প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিলটি আইনে পরিণত হবে।
লিন্ডসে গ্রাহাম আরও জানান, বুধবার তিনি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে বিলটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং সেখানে ট্রাম্প এ প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

আপনার মতামত লিখুন