সরকার লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের শেয়ার থাকা বহুজাতিক কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে (স্টক এক্সচেঞ্জে) তালিকাভুক্ত করার আনুষ্ঠানিক সম্মতি দিয়েছে। বুধবার রাতে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)–এর চেয়ারম্যান আবু আহমেদ বৈঠকে অংশগ্রহণের পর সিদ্ধান্তটি প্রকাশ করা হয়।
প্রাথমিকভাবে প্রায় ১০টি কোম্পানি তালিকাভুক্তির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। সরকার এ উদ্যোগে ডাইরেক্ট লিস্টিং বা সরাসরি শেয়ার বাজারে প্রবেশ পদ্ধতি গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। এ ধরণের তালিকাভুক্তি পুঁজিবাজারে তরলতা বাড়াতে এবং বিনিয়োগকারীর আস্থা পুনরুদ্ধার করতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
পেছনের প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার গত একাধিক বছরের মধ্যে স্থবির অবস্থায় রয়েছে। ২০২৫ সালে কোনো নতুন কোম্পানি IPO হয়নি, যার ফলে বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন। বাজার পুনরুজ্জীবনের জন্য সরকারের এই নতুন উদ্যোগকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রস্তুতিপর্বে কিছু সম্ভাব্য কোম্পানির মধ্যে রয়েছে Unilever Bangladesh, Karnaphuli Fertilizer, Novartis Bangladesh, Syngenta Bangladesh এবং Nestlé Bangladesh। কোম্পানিগুলো জানিয়েছে, তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত বোর্ড অনুমোদনের উপর ভিত্তি করে হবে।
এছাড়া, নতুন IPO নীতিমালা (‘পাবলিক অফার ইক্যুইটি রুলস’) ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে, যা প্রক্রিয়াকে সহজ ও দ্রুত করবে। BSEC-কে শক্তিশালী করতে উচ্চ-স্তরের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাতে পুঁজিবাজারের কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, তালিকাভুক্তি শুরু হলে বাজারে নতুন শেয়ার প্রবেশ করবে, তরলতা বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীর আস্থা ফিরবে। এই উদ্যোগ দেশের মূলধন বাজারকে পুনরায় গতিশীল করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
সরকার লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের শেয়ার থাকা বহুজাতিক কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে (স্টক এক্সচেঞ্জে) তালিকাভুক্ত করার আনুষ্ঠানিক সম্মতি দিয়েছে। বুধবার রাতে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)–এর চেয়ারম্যান আবু আহমেদ বৈঠকে অংশগ্রহণের পর সিদ্ধান্তটি প্রকাশ করা হয়।
প্রাথমিকভাবে প্রায় ১০টি কোম্পানি তালিকাভুক্তির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। সরকার এ উদ্যোগে ডাইরেক্ট লিস্টিং বা সরাসরি শেয়ার বাজারে প্রবেশ পদ্ধতি গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। এ ধরণের তালিকাভুক্তি পুঁজিবাজারে তরলতা বাড়াতে এবং বিনিয়োগকারীর আস্থা পুনরুদ্ধার করতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
পেছনের প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার গত একাধিক বছরের মধ্যে স্থবির অবস্থায় রয়েছে। ২০২৫ সালে কোনো নতুন কোম্পানি IPO হয়নি, যার ফলে বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন। বাজার পুনরুজ্জীবনের জন্য সরকারের এই নতুন উদ্যোগকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রস্তুতিপর্বে কিছু সম্ভাব্য কোম্পানির মধ্যে রয়েছে Unilever Bangladesh, Karnaphuli Fertilizer, Novartis Bangladesh, Syngenta Bangladesh এবং Nestlé Bangladesh। কোম্পানিগুলো জানিয়েছে, তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত বোর্ড অনুমোদনের উপর ভিত্তি করে হবে।
এছাড়া, নতুন IPO নীতিমালা (‘পাবলিক অফার ইক্যুইটি রুলস’) ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে, যা প্রক্রিয়াকে সহজ ও দ্রুত করবে। BSEC-কে শক্তিশালী করতে উচ্চ-স্তরের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাতে পুঁজিবাজারের কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, তালিকাভুক্তি শুরু হলে বাজারে নতুন শেয়ার প্রবেশ করবে, তরলতা বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীর আস্থা ফিরবে। এই উদ্যোগ দেশের মূলধন বাজারকে পুনরায় গতিশীল করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন