বাংলাদেশ সরকার সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাবিক এগ্রি–নিউট্রিয়েন্টস থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সম্পর্কিত উপদেষ্টা পরিষদ (ACCGP)-এর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
দেশের বোরো মৌসুমসহ চলমান কৃষি উৎপাদনব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে শিল্প মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) জরুরি ভিত্তিতে এই সার আমদানির সুপারিশ করে। দেশে গ্যাস সংকটের কারণে স্থানীয় সার কারখানাগুলোর উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমদানির ওপর নির্ভরতা আরও বেড়েছে। প্রস্তাব পর্যালোচনা শেষে সৌদি আরবের সঙ্গে সরকার-থেকে-সরকার (G2G) ভিত্তিতে সরাসরি আমদানির সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়।
সরকারি নথি অনুযায়ী, এ আমদানির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৯১ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকা। আন্তর্জাতিক বাজার এবং চুক্তির ভিত্তিতে প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের দাম ৩৯০ মার্কিন ডলার হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা টাকায় পরিণত হলে উল্লেখিত ব্যয় আসে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইউরিয়ার মোট চাহিদা ৩০ লাখ মেট্রিক টন ধরা হয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকেই পর্যায়ক্রমে ৬ লাখ ৩০ হাজার টন ইউরিয়া আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। আজ অনুমোদন পাওয়া ৪০ হাজার টন সেই বৃহৎ পরিকল্পনার একটি ধাপ।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহের প্রধান উৎস হওয়ায় বোরো মৌসুমে এর চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। সারঘাটতি দেখা দিলে উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং খাদ্য নিরাপত্তায় ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই আগেভাগে সার মজুত করাকে তারা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন।
বৈঠক শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদিত এ আমদানির মাধ্যমে আসন্ন মৌসুমে সারের কোনো সংকট দেখা দেবে না। পাশাপাশি বাজারে সারের দাম স্থিতিশীল রাখতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ সরকার সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সাবিক এগ্রি–নিউট্রিয়েন্টস থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সম্পর্কিত উপদেষ্টা পরিষদ (ACCGP)-এর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
দেশের বোরো মৌসুমসহ চলমান কৃষি উৎপাদনব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে শিল্প মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) জরুরি ভিত্তিতে এই সার আমদানির সুপারিশ করে। দেশে গ্যাস সংকটের কারণে স্থানীয় সার কারখানাগুলোর উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমদানির ওপর নির্ভরতা আরও বেড়েছে। প্রস্তাব পর্যালোচনা শেষে সৌদি আরবের সঙ্গে সরকার-থেকে-সরকার (G2G) ভিত্তিতে সরাসরি আমদানির সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়।
সরকারি নথি অনুযায়ী, এ আমদানির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৯১ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকা। আন্তর্জাতিক বাজার এবং চুক্তির ভিত্তিতে প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের দাম ৩৯০ মার্কিন ডলার হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা টাকায় পরিণত হলে উল্লেখিত ব্যয় আসে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইউরিয়ার মোট চাহিদা ৩০ লাখ মেট্রিক টন ধরা হয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকেই পর্যায়ক্রমে ৬ লাখ ৩০ হাজার টন ইউরিয়া আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। আজ অনুমোদন পাওয়া ৪০ হাজার টন সেই বৃহৎ পরিকল্পনার একটি ধাপ।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহের প্রধান উৎস হওয়ায় বোরো মৌসুমে এর চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। সারঘাটতি দেখা দিলে উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং খাদ্য নিরাপত্তায় ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই আগেভাগে সার মজুত করাকে তারা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন।
বৈঠক শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদিত এ আমদানির মাধ্যমে আসন্ন মৌসুমে সারের কোনো সংকট দেখা দেবে না। পাশাপাশি বাজারে সারের দাম স্থিতিশীল রাখতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন