ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

নতুন উচ্চতায় ব্রিটিশ-ফিলিস্তিন সম্পর্ক

লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন


নিজস্ব প্রতিবেদক :
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬

লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন

যুক্তরাজ্য গত বছরের সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর দেশটির রাজধানী লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) পশ্চিম লন্ডনে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দূতাবাসটির উদ্বোধন করেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হুসাম জোমলত। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

উদ্বোধনী বক্তব্যে হুসাম জোমলত এই ঘটনাকে ব্রিটিশ-ফিলিস্তিনি সম্পর্কের একটি ‘গভীর মাইলফলক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে পূর্ণ কূটনৈতিক মর্যাদা ও সুবিধাসহ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দূতাবাস উদ্বোধন একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যা শুধু একটি নাম পরিবর্তনের বিষয় নয়, বরং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক পরিবর্তনের প্রতীক।

যুক্তরাজ্য ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর ব্রিটেনে ফিলিস্তিন মিশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে দূতাবাসে উন্নীত হয়। ওই সময় গাজায় মানবিক সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ চরমে পৌঁছালে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ আরও কয়েকটি দেশ একই ধরনের পদক্ষেপ নেয়।

কালো-সাদা কেফিয়াহ স্কার্ফ পরিহিত রাষ্ট্রদূত জোমলত বলেন, নতুন বছরের শুরুতে এই দূতাবাস উদ্বোধন ব্রিটিশ-ফিলিস্তিনি সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের দীর্ঘ সংগ্রামে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তিনি এটিকে আশার দিন ও দৃঢ়তার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ন্যায়, মর্যাদা, সমতা ও পারস্পরিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হলে শান্তি শুধু সম্ভবই নয়, বরং অনিবার্য।

অনুষ্ঠানে ফিলিস্তিনি ও ব্রিটিশ পতাকা সংবলিত মঞ্চে বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক প্রতিনিধি অ্যালিস্টার হ্যারিসন। তিনি এই ঘটনাকে ‘আশার মুহূর্ত’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

তবে যুক্তরাজ্য ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নিজস্ব দূতাবাস স্থাপনের পরিকল্পনা করছে কি না, সে বিষয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

উল্লেখ্য, গত অক্টোবর থেকে গাজায় একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

যুক্তরাজ্য গত বছরের সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর দেশটির রাজধানী লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) পশ্চিম লন্ডনে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দূতাবাসটির উদ্বোধন করেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হুসাম জোমলত। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।


উদ্বোধনী বক্তব্যে হুসাম জোমলত এই ঘটনাকে ব্রিটিশ-ফিলিস্তিনি সম্পর্কের একটি ‘গভীর মাইলফলক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে পূর্ণ কূটনৈতিক মর্যাদা ও সুবিধাসহ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দূতাবাস উদ্বোধন একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যা শুধু একটি নাম পরিবর্তনের বিষয় নয়, বরং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক পরিবর্তনের প্রতীক।


যুক্তরাজ্য ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর ব্রিটেনে ফিলিস্তিন মিশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে দূতাবাসে উন্নীত হয়। ওই সময় গাজায় মানবিক সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ চরমে পৌঁছালে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ আরও কয়েকটি দেশ একই ধরনের পদক্ষেপ নেয়।


কালো-সাদা কেফিয়াহ স্কার্ফ পরিহিত রাষ্ট্রদূত জোমলত বলেন, নতুন বছরের শুরুতে এই দূতাবাস উদ্বোধন ব্রিটিশ-ফিলিস্তিনি সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের দীর্ঘ সংগ্রামে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তিনি এটিকে আশার দিন ও দৃঢ়তার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ন্যায়, মর্যাদা, সমতা ও পারস্পরিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হলে শান্তি শুধু সম্ভবই নয়, বরং অনিবার্য।


অনুষ্ঠানে ফিলিস্তিনি ও ব্রিটিশ পতাকা সংবলিত মঞ্চে বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক প্রতিনিধি অ্যালিস্টার হ্যারিসন। তিনি এই ঘটনাকে ‘আশার মুহূর্ত’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।


তবে যুক্তরাজ্য ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নিজস্ব দূতাবাস স্থাপনের পরিকল্পনা করছে কি না, সে বিষয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।


উল্লেখ্য, গত অক্টোবর থেকে গাজায় একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ