ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ডোমারে গভীর রাতে শীতার্তদের মাঝে শতাধিক কম্বল বিতরণ


মো:সেলিম হোসেন
মো:সেলিম হোসেন Staff Reporter
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬

ডোমারে গভীর রাতে শীতার্তদের মাঝে শতাধিক কম্বল বিতরণ

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত শীতার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে নীলফামারীর ডোমার উপজেলা প্রশাসন। গভীর রাতে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শায়লা সাঈদ তন্বীর নেতৃত্বে ডোমার রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও শহরের বিভিন্ন ফুটপাথে এই কম্বল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এ সময় খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নেওয়া বৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের হাতে হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়। কম্বল পেয়ে শীতার্ত মানুষের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তির হাসি।

রেলস্টেশন এলাকায় কম্বল পাওয়া এক বৃদ্ধ বলেন,
“সারারাত খোলা আকাশের নিচে থাকতে হয়। এই ঠান্ডায় খুব কষ্ট হচ্ছিল। হঠাৎ করে ইউএনও স্যাররা এসে কম্বল দেওয়ায় অনেক উপকার হলো। আল্লাহ তাদের ভালো রাখুক।”

বাস টার্মিনাল এলাকায় কম্বল পাওয়া এক নারী বলেন,
“শীতের রাতে বাচ্চাদের নিয়ে খুব কষ্টে ছিলাম। কম্বল পেয়ে আজ রাতে একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারবো।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন,
“শীত মৌসুমে একজন মানুষও যেন কষ্ট না পায়—এটাই আমাদের লক্ষ্য। যারা প্রকৃতপক্ষে অসহায় এবং রাতে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। এই কার্যক্রম শীতকালজুড়ে অব্যাহত থাকবে।”

উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রশাসনের এমন সরাসরি মাঠপর্যায়ের উদ্যোগ শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


ডোমারে গভীর রাতে শীতার্তদের মাঝে শতাধিক কম্বল বিতরণ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত শীতার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে নীলফামারীর ডোমার উপজেলা প্রশাসন। গভীর রাতে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শায়লা সাঈদ তন্বীর নেতৃত্বে ডোমার রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও শহরের বিভিন্ন ফুটপাথে এই কম্বল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এ সময় খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নেওয়া বৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের হাতে হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়। কম্বল পেয়ে শীতার্ত মানুষের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তির হাসি।

রেলস্টেশন এলাকায় কম্বল পাওয়া এক বৃদ্ধ বলেন,
“সারারাত খোলা আকাশের নিচে থাকতে হয়। এই ঠান্ডায় খুব কষ্ট হচ্ছিল। হঠাৎ করে ইউএনও স্যাররা এসে কম্বল দেওয়ায় অনেক উপকার হলো। আল্লাহ তাদের ভালো রাখুক।”

বাস টার্মিনাল এলাকায় কম্বল পাওয়া এক নারী বলেন,
“শীতের রাতে বাচ্চাদের নিয়ে খুব কষ্টে ছিলাম। কম্বল পেয়ে আজ রাতে একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারবো।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন,
“শীত মৌসুমে একজন মানুষও যেন কষ্ট না পায়—এটাই আমাদের লক্ষ্য। যারা প্রকৃতপক্ষে অসহায় এবং রাতে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। এই কার্যক্রম শীতকালজুড়ে অব্যাহত থাকবে।”

উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রশাসনের এমন সরাসরি মাঠপর্যায়ের উদ্যোগ শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ