ভেনেজুয়েলায় ব্যাপক সামরিক হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের কঠোর সমালোচনা করে জানায়, এই হামলা দেশটির জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তেহরান এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতির পরিপন্থী বলে উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘ সনদের অনুচ্ছেদ ২ ও অনুচ্ছেদ ৪ অনুযায়ী বলপ্রয়োগ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভেনেজুয়েলায় পরিচালিত এই সামরিক অভিযান সেই বিধানের সরাসরি লঙ্ঘন। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করার ঘটনাকে আক্রমণাত্মক ও নিন্দনীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, জাতিসংঘ, আইনের শাসন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব রাষ্ট্রের উচিত এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ও স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার রক্ষার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছে তেহরান।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে এক পোস্টে জানান, যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে ভেনেজুয়েলার ওপর একটি বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে এবং অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে দেশটির বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। কারাকাসের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি ফরচুনা এলাকা থেকেই অধিকাংশ বিস্ফোরণের শব্দ আসে বলে জানা গেছে। বিস্ফোরণ শুরুর পর থেকে ফরচুনা ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়ে ভেনেজুয়েলায় জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অভিযোগ করেন, ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদ দখলের উদ্দেশ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এই হামলা চালিয়েছে।
ভেনেজুয়েলা সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে যে চরম ন্যাক্কারজনক সামরিক আগ্রাসন চালিয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে এবং এই সামরিক আগ্রাসন সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
ভেনেজুয়েলায় ব্যাপক সামরিক হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক আগ্রাসনের কঠোর সমালোচনা করে জানায়, এই হামলা দেশটির জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তেহরান এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতির পরিপন্থী বলে উল্লেখ করে।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘ সনদের অনুচ্ছেদ ২ ও অনুচ্ছেদ ৪ অনুযায়ী বলপ্রয়োগ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভেনেজুয়েলায় পরিচালিত এই সামরিক অভিযান সেই বিধানের সরাসরি লঙ্ঘন। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করার ঘটনাকে আক্রমণাত্মক ও নিন্দনীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, জাতিসংঘ, আইনের শাসন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব রাষ্ট্রের উচিত এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ও স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার রক্ষার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছে তেহরান।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে এক পোস্টে জানান, যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে ভেনেজুয়েলার ওপর একটি বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে এবং অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে দেশটির বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। কারাকাসের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি ফরচুনা এলাকা থেকেই অধিকাংশ বিস্ফোরণের শব্দ আসে বলে জানা গেছে। বিস্ফোরণ শুরুর পর থেকে ফরচুনা ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়ে ভেনেজুয়েলায় জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অভিযোগ করেন, ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদ দখলের উদ্দেশ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এই হামলা চালিয়েছে।
ভেনেজুয়েলা সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে যে চরম ন্যাক্কারজনক সামরিক আগ্রাসন চালিয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে এবং এই সামরিক আগ্রাসন সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা

আপনার মতামত লিখুন