হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে জনজীবন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। হাড়কাঁপানো ঠান্ডা ও দিনের বেশিরভাগ সময় সূর্যের দেখা না মেলায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, শিশু ও বৃদ্ধরা।
টানা কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। কৃষি খাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে বুরো আবাদ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মাঠে কাজ করতে না পারায় উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। একই সঙ্গে গরু-বাছুরসহ গৃহপালিত পশু নিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন অনেক পরিবার।
সন্ধ্যা থেকে দুপুর পর্যন্ত বাহুবলের বিভিন্ন এলাকা ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে। রাতের বেলায় কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত দুই দিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় শ্রমজীবী মানুষ কাজে বের হতে পারছেন না, ফলে আয়-রোজগার প্রায় বন্ধ।
এদিকে শীতের প্রভাবে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহে সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের সংখ্যাই বেশি।
অন্যদিকে ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। তবে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা আরও জোরদার করা এবং শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম বাড়ানো জরুরি, যাতে অসহায় মানুষ কিছুটা স্বস্তি পায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে জনজীবন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। হাড়কাঁপানো ঠান্ডা ও দিনের বেশিরভাগ সময় সূর্যের দেখা না মেলায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, শিশু ও বৃদ্ধরা।
টানা কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। কৃষি খাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে বুরো আবাদ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মাঠে কাজ করতে না পারায় উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। একই সঙ্গে গরু-বাছুরসহ গৃহপালিত পশু নিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন অনেক পরিবার।
সন্ধ্যা থেকে দুপুর পর্যন্ত বাহুবলের বিভিন্ন এলাকা ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে। রাতের বেলায় কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত দুই দিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় শ্রমজীবী মানুষ কাজে বের হতে পারছেন না, ফলে আয়-রোজগার প্রায় বন্ধ।
এদিকে শীতের প্রভাবে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহে সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধদের সংখ্যাই বেশি।
অন্যদিকে ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। তবে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা আরও জোরদার করা এবং শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম বাড়ানো জরুরি, যাতে অসহায় মানুষ কিছুটা স্বস্তি পায়।

আপনার মতামত লিখুন