ফরিদপুরের অটোরিক্সা ছিনতাই ও চালক ফারুক তালুকদার (৪০) হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ভাগ্নে শামীম (২৯) কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০।
র্যাব-১০ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে অদ্য ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টা ০৫ মিনিটে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন জনতা ব্যাংকের মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি মো. শামীম ওরফে ভাগ্নে শামীম (২৯), পিতা- সাদেক, সাং- বারইপাড়া, থানা- রাজবাড়ী সদর, জেলা- রাজবাড়ী। তিনি ফরিদপুর কোতয়ালী থানার হত্যা মামলা নং-১৮, তারিখ- ০৭/০৩/২০২০ এর সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামি।
আদালতের রায় অনুযায়ী, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালত, ফরিদপুর পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩০২ তৎসহ ৩৪ ধারায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড (অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড) এবং ৩৯৪ তৎসহ ৩৪ ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড (অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড) প্রদান করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৬ মার্চ রাজবাড়ীর গোপ্ত মানিক গ্রাম থেকে অটোরিক্সা নিয়ে বের হওয়া ফারুক তালুকদারকে ফরিদপুর যাওয়ার কথা বলে ভাড়া করে নেয় আসামিরা। পরে ফরিদপুর সদর উপজেলার ফতেহপুর শ্মশানঘাট এলাকায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করে অটোরিক্সা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। ওই রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। পরদিন নিহতের ভাই মো. হান্নান তালুকদার অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে গত ২৯ মে ২০২৫ তারিখে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর থেকে আসামি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুরের অটোরিক্সা ছিনতাই ও চালক ফারুক তালুকদার (৪০) হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ভাগ্নে শামীম (২৯) কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০।
র্যাব-১০ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে অদ্য ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টা ০৫ মিনিটে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন জনতা ব্যাংকের মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি মো. শামীম ওরফে ভাগ্নে শামীম (২৯), পিতা- সাদেক, সাং- বারইপাড়া, থানা- রাজবাড়ী সদর, জেলা- রাজবাড়ী। তিনি ফরিদপুর কোতয়ালী থানার হত্যা মামলা নং-১৮, তারিখ- ০৭/০৩/২০২০ এর সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামি।
আদালতের রায় অনুযায়ী, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালত, ফরিদপুর পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩০২ তৎসহ ৩৪ ধারায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড (অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড) এবং ৩৯৪ তৎসহ ৩৪ ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড (অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড) প্রদান করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৬ মার্চ রাজবাড়ীর গোপ্ত মানিক গ্রাম থেকে অটোরিক্সা নিয়ে বের হওয়া ফারুক তালুকদারকে ফরিদপুর যাওয়ার কথা বলে ভাড়া করে নেয় আসামিরা। পরে ফরিদপুর সদর উপজেলার ফতেহপুর শ্মশানঘাট এলাকায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করে অটোরিক্সা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। ওই রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। পরদিন নিহতের ভাই মো. হান্নান তালুকদার অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে গত ২৯ মে ২০২৫ তারিখে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর থেকে আসামি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন