সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হবে। নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বুধবার বাদ জোহর দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে, যেখানে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করছে পরিবার ও দলীয় নেতারা। এই উপলক্ষে প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও সংযোগস্থলজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ বহনকারী গাড়িবহর হাসপাতাল ছাড়ার আগে থেকেই গুলশান-২ ও আশপাশের সড়কে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। এভারকেয়ার হাসপাতালের নির্ধারিত গেট দিয়ে বের হয়ে বহরটি প্রথমে ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ের দিকে যাবে। সেখান থেকে কুরিল ফ্লাইওভার অতিক্রম করে কনভয় নেভাল হেডকোয়ার্টার্স এলাকার দিকে অগ্রসর হবে। যাত্রাপথটি নির্বাচন করা হয়েছে নিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুততার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে। পথিমধ্যে ফিরোজার পাশ দিয়ে বহরটি গুলশান-২ এলাকায় প্রবেশ করবে এবং সেখান থেকে কমল আতাতুর্ক এভিনিউ হয়ে এয়ারপোর্ট রোডে উঠবে। পরে মোহাখালী ফ্লাইওভার, জাহাঙ্গীর গেট ও বিজয় সরণি অতিক্রম করে গাড়িবহর সংসদ ভবনের দিকে যাবে এবং অবশেষে গেট নম্বর ৬ দিয়ে দক্ষিণ প্লাজায় প্রবেশ করবে।
পুরো রুটজুড়ে অসংখ্য নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। ডিএমপি, র্যাব, এপিবিএন, ট্রাফিক পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য এবং জরুরি সহায়তা ইউনিট মিলিয়ে প্রায় দশ হাজার নিরাপত্তাকর্মী বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেবেন। যাত্রাপথের প্রতিটি মোড়ে থাকবে নিরাপত্তা বলয়, চেকপোস্ট এবং বিকল্প যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষকে নির্ধারিত স্থানে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে, তবে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, ভিড় বা সড়কজট এড়াতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে প্রশাসন। ব্যাগ, বড় মালামাল বা সন্দেহজনক কিছু বহন করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে। যাত্রাপথে বেশকিছু সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে, যাতে মরদেহবাহী বহর নির্বিঘ্নে সংসদ ভবনে পৌঁছাতে পারে।
সংসদ ভবনে পৌঁছানোর পর দক্ষিণ প্লাজায় চারস্তর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে জানাজার সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অতিথি, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক এবং সাধারণ মানুষ পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধা জানাবেন। মরদেহ পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই রাষ্ট্রীয় নিয়ম অনুসারে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। কনভয়ের পুরো যাত্রায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার কথা জানিয়েছে এবং রাজধানীবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে যাতে মরদেহ পরিবহনের পথটি নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খল থাকে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হবে। নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বুধবার বাদ জোহর দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে, যেখানে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করছে পরিবার ও দলীয় নেতারা। এই উপলক্ষে প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও সংযোগস্থলজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ বহনকারী গাড়িবহর হাসপাতাল ছাড়ার আগে থেকেই গুলশান-২ ও আশপাশের সড়কে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। এভারকেয়ার হাসপাতালের নির্ধারিত গেট দিয়ে বের হয়ে বহরটি প্রথমে ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ের দিকে যাবে। সেখান থেকে কুরিল ফ্লাইওভার অতিক্রম করে কনভয় নেভাল হেডকোয়ার্টার্স এলাকার দিকে অগ্রসর হবে। যাত্রাপথটি নির্বাচন করা হয়েছে নিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুততার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে। পথিমধ্যে ফিরোজার পাশ দিয়ে বহরটি গুলশান-২ এলাকায় প্রবেশ করবে এবং সেখান থেকে কমল আতাতুর্ক এভিনিউ হয়ে এয়ারপোর্ট রোডে উঠবে। পরে মোহাখালী ফ্লাইওভার, জাহাঙ্গীর গেট ও বিজয় সরণি অতিক্রম করে গাড়িবহর সংসদ ভবনের দিকে যাবে এবং অবশেষে গেট নম্বর ৬ দিয়ে দক্ষিণ প্লাজায় প্রবেশ করবে।
পুরো রুটজুড়ে অসংখ্য নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। ডিএমপি, র্যাব, এপিবিএন, ট্রাফিক পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য এবং জরুরি সহায়তা ইউনিট মিলিয়ে প্রায় দশ হাজার নিরাপত্তাকর্মী বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেবেন। যাত্রাপথের প্রতিটি মোড়ে থাকবে নিরাপত্তা বলয়, চেকপোস্ট এবং বিকল্প যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষকে নির্ধারিত স্থানে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে, তবে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, ভিড় বা সড়কজট এড়াতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে প্রশাসন। ব্যাগ, বড় মালামাল বা সন্দেহজনক কিছু বহন করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে। যাত্রাপথে বেশকিছু সড়ক সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে, যাতে মরদেহবাহী বহর নির্বিঘ্নে সংসদ ভবনে পৌঁছাতে পারে।
সংসদ ভবনে পৌঁছানোর পর দক্ষিণ প্লাজায় চারস্তর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে জানাজার সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অতিথি, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক এবং সাধারণ মানুষ পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধা জানাবেন। মরদেহ পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই রাষ্ট্রীয় নিয়ম অনুসারে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। কনভয়ের পুরো যাত্রায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার কথা জানিয়েছে এবং রাজধানীবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে যাতে মরদেহ পরিবহনের পথটি নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খল থাকে।

আপনার মতামত লিখুন