বিএনপি চেয়ারপারসন ও দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে তাঁকে “আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক” হিসেবে অভিহিত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি অধ্যায় ছিল সংগ্রাম, দৃঢ়তা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানের প্রতিফলন।
উপদেষ্টা ফাওজুল কবির বলেন, দেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া ছিলেন অটল সাহস, দৃঢ় নেতৃত্ব ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে অবিচল প্রতিরোধের এক প্রতীকী চরিত্র। তিনি উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, কারাবরণ, আন্দোলন-সংগ্রাম ও নানা বাধা-বিপত্তির মুখেও খালেদা জিয়া তাঁর আদর্শ থেকে কখনো সরে যাননি। “তিনি জানতেন যে পথে হাঁটছেন, তা কঠিন; তারপরও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে আপস করেননি”—যোগ করেন তিনি।
ফাওজুল কবিরের মতে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর কঠিন সময়ের মধ্যে দলের ভার গ্রহণ থেকে শুরু করে পরবর্তী চার দশকের রাজনীতি—সবকিছুতেই খালেদা জিয়া ছিলেন গণতান্ত্রিক ধারার পুনরুত্থানের অন্যতম প্রধান চালিকা শক্তি। তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা, সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান এবং পরবর্তী সময়ে জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর নেতৃত্ব দেশকে বহু সংকট থেকে উত্তরণে সহায়তা করেছে।
শোকবার্তায় তিনি আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রতি খালেদা জিয়ার আস্থা এবং মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার সংগ্রামে তাঁর অটল অবস্থান তাঁকে দেশের ইতিহাসে এক অনমনীয় নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর মতে, “খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি নন; তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের নাম।”
ফাওজুল কবির জানান, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশের রাজনীতিতে একটি যুগের অবসান ঘটেছে। তিনি মনে করেন, তাঁর দৃঢ়তা, আত্মত্যাগ এবং সংগ্রামী চেতনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। “গণতন্ত্রের জন্য তাঁর যে ত্যাগ ও লড়াই, তা ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে”—বলেন তিনি।
এদিকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলীয়সহ বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপি ও দলের সহযোগী সংগঠনগুলো তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নানা কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
বিএনপি চেয়ারপারসন ও দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে তাঁকে “আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক” হিসেবে অভিহিত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি অধ্যায় ছিল সংগ্রাম, দৃঢ়তা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানের প্রতিফলন।
উপদেষ্টা ফাওজুল কবির বলেন, দেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া ছিলেন অটল সাহস, দৃঢ় নেতৃত্ব ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে অবিচল প্রতিরোধের এক প্রতীকী চরিত্র। তিনি উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, কারাবরণ, আন্দোলন-সংগ্রাম ও নানা বাধা-বিপত্তির মুখেও খালেদা জিয়া তাঁর আদর্শ থেকে কখনো সরে যাননি। “তিনি জানতেন যে পথে হাঁটছেন, তা কঠিন; তারপরও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে আপস করেননি”—যোগ করেন তিনি।
ফাওজুল কবিরের মতে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর কঠিন সময়ের মধ্যে দলের ভার গ্রহণ থেকে শুরু করে পরবর্তী চার দশকের রাজনীতি—সবকিছুতেই খালেদা জিয়া ছিলেন গণতান্ত্রিক ধারার পুনরুত্থানের অন্যতম প্রধান চালিকা শক্তি। তিনি বলেন, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা, সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান এবং পরবর্তী সময়ে জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর নেতৃত্ব দেশকে বহু সংকট থেকে উত্তরণে সহায়তা করেছে।
শোকবার্তায় তিনি আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রতি খালেদা জিয়ার আস্থা এবং মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার সংগ্রামে তাঁর অটল অবস্থান তাঁকে দেশের ইতিহাসে এক অনমনীয় নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর মতে, “খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি নন; তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের নাম।”
ফাওজুল কবির জানান, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশের রাজনীতিতে একটি যুগের অবসান ঘটেছে। তিনি মনে করেন, তাঁর দৃঢ়তা, আত্মত্যাগ এবং সংগ্রামী চেতনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। “গণতন্ত্রের জন্য তাঁর যে ত্যাগ ও লড়াই, তা ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে”—বলেন তিনি।
এদিকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলীয়সহ বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপি ও দলের সহযোগী সংগঠনগুলো তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নানা কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন