রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় বন্ধের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে কারওয়ান বাজার সংলগ্ন কাঁচামালের আড়ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধন চলাকালে হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত সেখানে হামলা চালায়। হামলার পর ব্যবসায়ীরাও লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এ সময় দুর্বৃত্তদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
হামলার পর বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা ‘চাঁদাবাজের আস্তানা ভেঙে দাও—গুড়িয়ে দাও’ এবং ‘চাঁদাবাজের আস্তানা এই বাংলায় হবে না’সহ নানা স্লোগান দেন। এতে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, পুলিশ প্রশাসন এ ঘটনায় নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। তাদের দাবি, নিয়মিত মাসোহারা পাওয়ার কারণেই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও হামলা ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
কারওয়ান বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করছিলাম। কিন্তু হঠাৎ আমাদের ওপর হামলা করা হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলেও কীভাবে এমন হামলা হলো, তার জবাব চাই।”
এলাকার আরও কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় চাঁদাবাজ আব্দুর রহমানের অনুসারীরাই মানববন্ধনে হামলা চালিয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে পরিকল্পিতভাবে সহিংস করে তোলা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত। লিখিত অভিযোগ বা এজাহার পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে এলাকায় বিশৃঙ্খলা না করার আহ্বান জানান ওই কর্মকর্তা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় বন্ধের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে কারওয়ান বাজার সংলগ্ন কাঁচামালের আড়ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধন চলাকালে হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত সেখানে হামলা চালায়। হামলার পর ব্যবসায়ীরাও লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এ সময় দুর্বৃত্তদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
হামলার পর বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা ‘চাঁদাবাজের আস্তানা ভেঙে দাও—গুড়িয়ে দাও’ এবং ‘চাঁদাবাজের আস্তানা এই বাংলায় হবে না’সহ নানা স্লোগান দেন। এতে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, পুলিশ প্রশাসন এ ঘটনায় নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। তাদের দাবি, নিয়মিত মাসোহারা পাওয়ার কারণেই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও হামলা ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
কারওয়ান বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করছিলাম। কিন্তু হঠাৎ আমাদের ওপর হামলা করা হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলেও কীভাবে এমন হামলা হলো, তার জবাব চাই।”
এলাকার আরও কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় চাঁদাবাজ আব্দুর রহমানের অনুসারীরাই মানববন্ধনে হামলা চালিয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে পরিকল্পিতভাবে সহিংস করে তোলা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত। লিখিত অভিযোগ বা এজাহার পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে এলাকায় বিশৃঙ্খলা না করার আহ্বান জানান ওই কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন