মেঘালয় পুলিশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ নাকচ করেছে বাংলাদেশ পুলিশের দাবি যে, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত দুই সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে।
রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফের শীর্ষ কর্মকর্তা বাংলাদেশ পুলিশের দাবিকে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছেন। মেঘালয় পুলিশ জানিয়েছে, দুই অভিযুক্তের কাউকে রাজ্যে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক কোনও যোগাযোগ হয়নি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম পূর্বে দাবি করেছিলেন, হত্যাকারীদের ঢাকা থেকে হালুয়াঘাট সীমান্ত পর্যন্ত প্রবেশের পথে বিভিন্ন ব্যক্তির সহায়তা লেগেছিল। তবে মেঘালয় পুলিশ এই আখ্যানকে “প্রমাণহীন” বলে অভিহিত করেছে।
বিএসএফের মেঘালয় ফ্রন্টিয়ারের মহাপরিদর্শক ওপি উপাধ্যায় জানিয়েছেন, হালুয়াঘাট সেক্টর দিয়ে কোনও বাংলাদেশি অভিযুক্ত মেঘালয়ে প্রবেশের প্রমাণ নেই। বিএসএফ শুধুমাত্র যাচাইকৃত গোয়েন্দা তথ্য এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা প্রোটোকলের ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফ উভয়ই সতর্ক করেছেন, যাচাইকৃত তথ্য ছাড়া কোনও দাবি ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। তারা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত থাকলেও, প্রতিষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের শর্তে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
মেঘালয় পুলিশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ নাকচ করেছে বাংলাদেশ পুলিশের দাবি যে, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত দুই সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে।
রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফের শীর্ষ কর্মকর্তা বাংলাদেশ পুলিশের দাবিকে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছেন। মেঘালয় পুলিশ জানিয়েছে, দুই অভিযুক্তের কাউকে রাজ্যে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক কোনও যোগাযোগ হয়নি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম পূর্বে দাবি করেছিলেন, হত্যাকারীদের ঢাকা থেকে হালুয়াঘাট সীমান্ত পর্যন্ত প্রবেশের পথে বিভিন্ন ব্যক্তির সহায়তা লেগেছিল। তবে মেঘালয় পুলিশ এই আখ্যানকে “প্রমাণহীন” বলে অভিহিত করেছে।
বিএসএফের মেঘালয় ফ্রন্টিয়ারের মহাপরিদর্শক ওপি উপাধ্যায় জানিয়েছেন, হালুয়াঘাট সেক্টর দিয়ে কোনও বাংলাদেশি অভিযুক্ত মেঘালয়ে প্রবেশের প্রমাণ নেই। বিএসএফ শুধুমাত্র যাচাইকৃত গোয়েন্দা তথ্য এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা প্রোটোকলের ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফ উভয়ই সতর্ক করেছেন, যাচাইকৃত তথ্য ছাড়া কোনও দাবি ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। তারা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত থাকলেও, প্রতিষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের শর্তে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন