আগামী বছরের মার্চ–এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনের আর কয়েক মাস বাকি থাকতেই রাজ্যের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে দলবদলের পালা। এরই ধারাবাহিকতায় বিজেপি ছেড়ে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন অভিনেত্রী পার্নো মিত্র। শুক্রবার আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
পার্নো মিত্র ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর বিজেপিতে যোগ দেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাকে উত্তর কলকাতার বরাহনগর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়। তবে ওই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তাপস রায়ের কাছে পরাজিত হন তিনি। পরবর্তীতে তাপস রায় বিজেপিতে যোগ দিলেও ওই আসনে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জি জয়ী হন। সেই বিজেপির পার্নো মিত্রই এবার পদ্মফুল ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দিলেন।
অভিনয়জীবনে পার্নো মিত্রের যাত্রা শুরু ২০০৭ সালে। ছোট পর্দায় রবি ওঝার পরিচালনায় ‘খেলা’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান। পরে অঞ্জন দত্তের পরিচালনায় ‘রঞ্জনা আমি আর আসব না’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘বেডরুম’, ‘মাছ মিষ্টি অ্যান্ড মোর’, ‘রাজকাহিনী’, ‘আলিনগরের গোলকধাঁধা’, ‘অপুর পাঁচালি’ ও ‘অঙ্ক কী কঠিন’।
২০১৯ সালে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বরাহনগর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পার্নো। ওই নির্বাচনে বিজেপির হয়ে পায়েল সরকার, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় ও তনুশ্রী চক্রবর্তীর মতো একাধিক তারকা প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
শুক্রবার কলকাতার তৃণমূল ভবনে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও দলের সিনিয়র নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগ দেন পার্নো মিত্র। এ সময় তার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। যোগদানের পর তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
তৃণমূলে যোগ দিয়ে পার্নো মিত্র বলেন, এটি তার নতুন পথচলার শুরু। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়া তার ভুল ছিল। তার ভাষায়, বিজেপিতে যোগদান করা আমার ভুল ছিল, এখন সেই ভুল শুধরে নেওয়ার সময় এসেছে। মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূলে যোগ দেওয়া আমার কাছে বড় ব্যাপার। ছয় বছর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু সেখানে কোনো সাফল্য পাইনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
আগামী বছরের মার্চ–এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনের আর কয়েক মাস বাকি থাকতেই রাজ্যের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে দলবদলের পালা। এরই ধারাবাহিকতায় বিজেপি ছেড়ে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন অভিনেত্রী পার্নো মিত্র। শুক্রবার আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
পার্নো মিত্র ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর বিজেপিতে যোগ দেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাকে উত্তর কলকাতার বরাহনগর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়। তবে ওই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তাপস রায়ের কাছে পরাজিত হন তিনি। পরবর্তীতে তাপস রায় বিজেপিতে যোগ দিলেও ওই আসনে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জি জয়ী হন। সেই বিজেপির পার্নো মিত্রই এবার পদ্মফুল ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দিলেন।
অভিনয়জীবনে পার্নো মিত্রের যাত্রা শুরু ২০০৭ সালে। ছোট পর্দায় রবি ওঝার পরিচালনায় ‘খেলা’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান। পরে অঞ্জন দত্তের পরিচালনায় ‘রঞ্জনা আমি আর আসব না’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘বেডরুম’, ‘মাছ মিষ্টি অ্যান্ড মোর’, ‘রাজকাহিনী’, ‘আলিনগরের গোলকধাঁধা’, ‘অপুর পাঁচালি’ ও ‘অঙ্ক কী কঠিন’।
২০১৯ সালে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বরাহনগর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পার্নো। ওই নির্বাচনে বিজেপির হয়ে পায়েল সরকার, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় ও তনুশ্রী চক্রবর্তীর মতো একাধিক তারকা প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
শুক্রবার কলকাতার তৃণমূল ভবনে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও দলের সিনিয়র নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগ দেন পার্নো মিত্র। এ সময় তার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। যোগদানের পর তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
তৃণমূলে যোগ দিয়ে পার্নো মিত্র বলেন, এটি তার নতুন পথচলার শুরু। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়া তার ভুল ছিল। তার ভাষায়, বিজেপিতে যোগদান করা আমার ভুল ছিল, এখন সেই ভুল শুধরে নেওয়ার সময় এসেছে। মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূলে যোগ দেওয়া আমার কাছে বড় ব্যাপার। ছয় বছর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু সেখানে কোনো সাফল্য পাইনি।

আপনার মতামত লিখুন