জীবিকার তাগিদে প্রতিদিনের মতো কাজ করতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না সাইফুল ইসলাম (২৮) নামে এক তরুণ কাঠমিস্ত্রীর। কাজের জায়গায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লাশ হয়ে ফিরতে হলো তাকে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার পার্শ্ববর্তী কুমারপুর এলাকায় একটি বাসাবাড়িতে কাজ করার সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইফুল ইসলাম ঘোড়াঘাট উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের মাবু মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে অন্যান্য দিনের মতো নিজ ঘর থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বের হন সাইফুল। দুপুরে কুমারপুর এলাকায় কাঠমিস্ত্রীর কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত একটি বিদ্যুতের তারে তিনি স্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত ও সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করা হলেও তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এলাকার ইউপি সদস্য মো. ময়নুল ইসলাম ও স্থানীয়রা জানান, সাইফুল পরিবারের অন্যতম উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। প্রতিদিনের মতো সকালে হাসিমুখে কাজ করতে গিয়ে দুপুরে তার মৃত্যুর সংবাদে পরিবার ও পুরো হরিপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারের স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জীবিকার তাগিদে প্রতিদিনের মতো কাজ করতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না সাইফুল ইসলাম (২৮) নামে এক তরুণ কাঠমিস্ত্রীর। কাজের জায়গায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লাশ হয়ে ফিরতে হলো তাকে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার পার্শ্ববর্তী কুমারপুর এলাকায় একটি বাসাবাড়িতে কাজ করার সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইফুল ইসলাম ঘোড়াঘাট উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের মাবু মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে অন্যান্য দিনের মতো নিজ ঘর থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বের হন সাইফুল। দুপুরে কুমারপুর এলাকায় কাঠমিস্ত্রীর কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত একটি বিদ্যুতের তারে তিনি স্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত ও সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করা হলেও তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এলাকার ইউপি সদস্য মো. ময়নুল ইসলাম ও স্থানীয়রা জানান, সাইফুল পরিবারের অন্যতম উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। প্রতিদিনের মতো সকালে হাসিমুখে কাজ করতে গিয়ে দুপুরে তার মৃত্যুর সংবাদে পরিবার ও পুরো হরিপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারের স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন