মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে শেরপুর সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার কাটাবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা মদের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালানি মালামাল এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন।
ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এ নীতির আওতায় সীমান্তে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
সীমান্তে মাদক, চোরাচালানি মালামাল ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে শেরপুর সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার কাটাবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা মদের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালানি মালামাল এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন।
ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এ নীতির আওতায় সীমান্তে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
সীমান্তে মাদক, চোরাচালানি মালামাল ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন